2 Answers
মন্তব্য নয়, উতরে সরাসরি আওয়াত:ত কোন হাদিশ দিতে পারলাম না, তবে হাদিসের ধারাবাহিকতা তুলে ধরলাম যা থেকে উত্তর পেয়ে যাবেন।
মূসা ইবনুূু ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ধারণা করা পরিহার কর, কেননা, ধারণা করা হচ্ছে সর্বাধিক মিথ্যা। কারও দোঁষ তালাশ করো না, দোষ-বের করার জন্য গুপ্তচরবৃত্তি করো না, একে অপরের প্রতি হিংসা পোষণ করো না, পরিবারে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। আল্লাহর বান্দা পরস্পরে ভাই ভাই হয়ে যাও।
উপরোক্ত হাদিশে ইসলাম যেখানে গুপ্তচরবৃত্তি নিষধ করেছে, সেখানে গুপ্তহত্যা জাযেজ কি করে হয়?
গুপ্ত হত্যা বৈধ কি বৈধ নয় তা এক কথায় বলে দেয়া সম্ভব নয়। মানব হত্যা মহাপাপ। আর সেটা যদি হয় আতর্কিত কিংবা গুপ্তভাবে তাহলে পাপের পরিধি বৃদ্ধি পাবে নিশ্চয়ই। তবে হত্যা করা কখনো আবশ্যিক হয়ে পড়ে। সেটা যেমন জাগতিক বা মানবরচিত আইনে হয় তদ্রূপ ইসলামী আইনেও হয়। তখন স্বাভাবিকভাবে হত্যা বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব না হলে গুপ্তভাবে তা কার্যকর বিধিত হয়ে যায়। ইসলামী ইতিহাসে কাআব বিন আশরাফ নামক এক কুলাঙ্গারকে হাতের নাগালে না পেয়ে নবীজীর নির্দেশনায় গুপ্তভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।