6 Answers
মোবাইল ব্যবহার করা যখন অতিরিক্ত হবে তখন অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।প্রথমতঃ আপনি যদি ছাত্র হন তাহলে পড়ালেখার সমস্যা হবে, চোখের জ্যোতি কমে যেতে পারে, অনলাইন থেকে আজেবাজে জিনিস খুজে নিজেই অন্যায় কাজের মধ্যে জড়িত হতে পারেন।তাছাড়া একদল বিজ্ঞানী বলছেন, মোবাইল সীম নেট ওয়ার্কের ফলে হার্টের সমস্যা হতে পারে।
আধুনিক বিজ্ঞানের মতে,মোবাইল প্যান্টের পকেটে রাখলে বিশেষ করে শুক্রাণুর বিলুপ্তি ঘটে, রাতে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা ঘটে।
অতিরিক্ত চ্যাটিং করার ফলে ঘুমের মধ্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে চোখের সমস্যা হতে পারে। হেডফোন ব্যবহার করে উচ্চশব্দে গান শুনলে কান এবং মস্তিষ্কে সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ মোবাইল ব্যবহার। ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে। ঘুমের সমস্যা, বিষণ্ণতা, স্যালাইভারি গ্রন্থিতে টিউমার এগুলো হতে পারে। দেখা গেছে, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত আসক্তি কাজের সময় নষ্ট করে। যাঁরা বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের বিষণ্ণ হওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি হচ্ছে স্ক্রিন এডিকশন। স্ক্রিনের প্রতি সব সময় তাদের একটি আসক্তি থাকে। এর পর তাদের মূল কাজ যেটা, লেখাপড়া বলেন, সামাজিকীকরণ বলেন, খেলাধুলা—কোনো কিছুর প্রতি তার নজর থাকে না। স্ক্রিনে আসক্ত হয়ে যায়। শারীরিক প্রভাব বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আরো রয়েছে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়। কানে শোনে কম। অস্টিওপরোসিস বেশি হয়। বিষণ্ণতার সংখ্যা বেশি। সাইবার বুলিং হয় তাদের প্রতি। এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়। বিভিন্ন গ্যামস, অ্যাপসের মাধ্যমে এটি হয়। ক্রিমিনাল গেমস কচি মনে বা সরল মনে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া মোবাইল ফোন পকেটে রাখলে দেখা যায়, স্পার্ম বা ভ্রুণের কোয়ালিটি কমে যাচ্ছে। হার্টের সমস্যা দেখা যায়, যদি বুকে রাখা হয়। মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় গাড়ি চালানোও কিন্তু নিষিদ্ধ। দেখা যাচ্ছে, গাড়ি চালানোর সময় যাঁরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, তাঁদের ছয় ভাগ বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে।
মোবাইল ফোন চালানোর ফলে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বা ক্ষতি হতে পারে যেমন - ১) বিজ্ঞানীদের মতে, একটি পরমানবিক চুল্লির যে বিপদ তার থেকে মোটেও কম নয় এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড এর ক্ষতি । যাদের করোটি যত পাতলা , তাদের মোবাইল এফেক্ট তত বেশি । ব্রেন টিউমার থেকে শুরু করে নার্ভাস সিস্টেম ব্রেকডাউন , হার্ট অ্যাটাক সব কিছুরই সম্ভবনা বেড়ে চলেছে । ২) মোবাইল ফোন ব্যবহার এর ফলে আমাদের মস্তিস্কের একটা অংশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে । তার ফলে মস্তিষ্কের টিস্যু গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয় । মগজেও থাকে তার প্রতিক্রিয়া । ৩) ঝড়ের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে সমূহ বিপদ দেখা যেতে পারে । ৪) বুক পকেটে মোবাইল রাখলে হার্টের সমস্যা হবার সম্ভবনা বেশি থাকে । ৫) ইয়ার ফোন ব্যবহার না করে, কানের গোড়ায় রেখে মোবাইল এ বেশি কথা বললে কানে কম শোনা এমনকি বধিরতার আশঙ্কা পর্যন্ত থাকতে পারে । ৬) বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে । অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করলে মুখে ক্যানসার বা মেলিগনানট টিউমার এর ঝুঁকি বাড়ে ।