1 Answers
কোনোমানুষই অপরাধী হয়ে জন্মায় না। পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও নানাবিধ কারণে আবেগ ও পরিবেশের নেতিবাচক প্রভাবে মানুষ অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সুতরাং কিশোর অপরাধীরা পেশাদার অপরাধীদের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হচ্ছে তা অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।
এ জন্য সবার আগে দরকার গ্রাম, শহর, পাড়া ও মহল্লার সর্বত্র ভালো পরিবেশ বজায় রাখতে শিক্ষিত সজ্জন ও অভিভাবক শ্রেণীর সম্মিলিত প্রয়াস। অধ্যয়ন, সৃজনশীলতা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা জরুরি। পরিবার, সমাজ ও স্কুলের পরিবেশ হওয়া দরকার আনন্দময় ও প্রণোদনাপূর্ণ।
শিশু-কিশোরদের কাদামাটির সঙ্গে তুলনা করা হয়। শিশুরা পরিবার থেকে প্রথমে শেখে। এ কারণে পরিবারকে বলা হয়, মানব জীবনের প্রধান বুনিয়াদ। তাই সুষ্ঠুভাবে শিশু-কিশোরের ব্যক্তিত্ব বিকাশে এবং কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে একটি সুসংহত পরিবার এবং পারিবারিক দায়িত্ব অপরিসীম।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সবার আগে পরিবার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। বাবা-মায়ের সঠিক নির্দেশনা পেলে একটি শিশু ছোট থেকেই ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। আর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমস্যা থাকলে তার প্রভাব শিশুটির ওপর পড়তে বাধ্য।
সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, কোন ধরনের লোকেদের সাথে মেলামেশা করছে এ বিষয়ে সর্বদা দৃষ্টিরাখতে হবে। লোভই সকল অপরাধের মূল তাই পরিবারের সদস্যকে সন্তানকে এ বিষয়ে জ্ঞান দিতে হবে।