1 Answers
১. কালার স্যাচুরেশন, কন্ট্রাস্ট ও ব্রাইটনেস কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে যায়।
২. ব্যাকলাইটিং সমানভাবে পর্দার সব জায়গায় না পড়ার কারণে মনিটরের ধারের দিকে ব্রাইটনেসের সমস্যা দেখা দেয়।
৩. বেশি রেসপন্স টাইমের কারণে গেমারদের বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কম রেসপন্স টাইমের মনিটরগুলোর দাম কিছুটা বেশি।
৪. বিট ডেপথ নির্দিষ্ট করা থাকে, তাই কম মূল্যের এলসিডি মনিটরগুলোতে বাস্তবসম্মত রঙ ফুটে ওঠে না।
৫. সিআরটির তুলনায় কম রেজ্যুলেশন ও রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে।
৬. ইনপুট ল্যাগ সমস্যা দেখা দেয়।
৭. ডেড পিক্সেল দেখা দেয়। যদি একটি লিকুইড ক্রিস্টাল নষ্ট হয়ে যায় তবে তা ইমেজ বা পিক্সেল জেনারেট করার সময় সাহায্য করে না, তখন মনিটরে বিন্দুর মতো দাগ দেখা দেয়।
2737 views
Answered