1 Answers

১. আকারে ছোট এবং হালকা।

 ২. বেশ কম বিদ্যুৎ খরচ করে।

৩. জ্যামিতিক বিকৃতিমুক্ত।

৪. কম তাপ উৎপন্ন করে।

৫. স্ক্রিন কাঁপার ব্যাপারটি খুব কম ঘটে।

৬. এলসিডি মনিটরের ডিসপ্লে চোখের ওপরে চাপ ফেলে কম।

৭. কম কম্পাংকের ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক ইমিশনের (তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ) কারণে তা ব্যবহারকারীর শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর।

৮. এলসিডি মনিটর বানানোর উপাদানগুলো পরিবেশবান্ধব।

৯. এলসিডি মনিটর দেখতে বেশ স্টাইলিশ ও নজরকাড়া।

2885 views