1 Answers
আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে আবু উমামা (রা) নামক জনৈক আনসার সাহাবীকে দেখতে পান। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আনসারীকে) জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আবু উমামা! আমি তোমাকে নামাযের সময় ব্যতীত মসজিদে উপবিষ্ট কেন দেখছি? তিনি বলেন, সীমাহীন দুশ্চিন্তা ও ঋণভারে জর্জরিত হওয়ার কারণে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (আমি এই অসময়ে মসজিদে উপনীত হয়ে তা থেকে আল্লাহর নিকট মুক্তি কামনা করছি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি কি তোমাকে এমন বাক্য শিক্ষা দিব না যা তুমি উচ্চারণ করলে আল্লাহ তোমার দুশ্চিন্তা দূরীভূত করবেন এবং তোমার কর্জ পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন। এতদশ্রবণে আমি বলিঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি সকাল ও সন্ধ্যায় এরূপ বলবেঃ اللهم انى اعوذ بك من الهم والحزن واعوذ بك من العجز والكسل واعوذ بك من الجبن و البخل واعوذبك من غلبة الدين وقهر الرجال- আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাম্মে ওয়াল হুযনে, ওয়া আউযু বিকা মিনাল আজযে ওয়াল-কাসালে, ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনে ওয়াল বুখলে, ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ-দায়নে ওয়া কাহরির রিজাল।” (অর্থাৎ ইয়া আল্লাহ! আমি তোমার নিকট যাবতীয় চিন্তা- ভাবনা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমি তোমার নিকট দুর্বলতা ও অলসতা হতে আশ্রয় কামনা করছি, তোমার নিকট কাপুরুষতা ও কৃপণতা হতে নাজাত কামনা করছি এবং আমি তোমার নিকট ঋণভার ও মানুষের দুষ্ট প্রভাব হতে পরিত্রাণ চাচ্ছি।” আবু উমামা (রা) বলেন, অতঃপর আমি ঐরূপ আমল করি, যার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ তা’য়ালা আমার চিন্তা- ভাবনা বিদূরিত করেন এবং ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন। ( সুনানে আবু দাউদ:হাদীস নং-১৫৫৫)