আপনি কি জানেন কেন এই শীতে আপনার ত্বক ফেটে যাচ্ছে, চুল রুক্ষ হয়ে ঝরছে কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব করছেন?


এর উত্তর খুব সাধারণ— আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না। শীতকালে ঘাম কম হয় বলে আমাদের তৃষ্ণা লাগে না, আর এই সুযোগেই শরীরে বাসা বাঁধে মারাত্মক সব রোগ। বিশেষ করে আপনার কিডনি পড়ছে চরম ঝুঁকিতে।

কেন এই অবহেলা আপনার জন্য দামী হতে পারে?

১. কিডনিতে পাথর: শরীরে পানির অভাব হলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়। এতে থাকা ক্যালসিয়াম ও মিনারেল দানা বেঁধে পাথরে পরিণত হয়। 
২. ইউরিন ইনফেকশন: পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীর থেকে টক্সিন বের হতে পারে না, ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং ইনফেকশন দেখা দেয়। 
৩. ত্বক ও চুলের ক্ষতি: শুধু লোশন মাখলে কাজ হবে না! ভেতর থেকে পানি না পেলে ত্বক বুড়িয়ে যায় এবং চুল পড়া বেড়ে যায়। 
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য: পানির অভাবে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যা প্রতিদিনের জীবনকে যন্ত্রণাদায়ক করে তোলে।

কিভাবে বুঝবেন আপনার কিডনি বিপদে আছে?

১. প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হওয়া।
২. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা দুর্গন্ধ।
৩. কোমরের দুই পাশে বা তলপেটে হালকা থেকে তীব্র ব্যথা।
৪. ঘন ঘন পানি পিপাসা পাওয়া কিন্তু গলা শুকিয়ে যাওয়া।

💡 আজ থেকেই যা করবেন:

✅ টার্গেট সেট করুন:দিনে অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করার অভ্যাস বজায় রাখুন। 
✅ রিমাইন্ডার দিন: প্রতিবার ওজু করার পর বা প্রতি ঘণ্টা পর এক গ্লাস পানি খাওয়ার নিয়ম করুন। 
✅ ফল ও সবজি: পানি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা বা মাল্টা ডায়েটে রাখুন।
✅ লবণ কমান: খাবারে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস কিডনির বড় শত্রু।

আপনার শরীর একটি ইঞ্জিনের মতো, আর পানি হলো তার লুব্রিকেন্ট। ইঞ্জিন সচল রাখতে আজই এক গ্লাস পানি দিয়ে শুরু করুন!

👇 কমেন্টে জানান, আজ সারাদিনে আপনি কত গ্লাস পানি খেয়েছেন? আপনার সচেতনতা অন্যকেও অনুপ্রাণিত করবে।

⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐

🩺ডাঃ নিয়ামুল মাওলা আকাশ
মেডিসিন ও ডায়বেটিস বিশেষজ্ঞ 
মেডিসিন কনসালটেন্ট ও পরিচালক
লং লাইফ হসপিটাল লিঃ

🏥চেম্বারঃ
লং লাইফ ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার লিঃ
ইয়াকুব সাউথ সেন্টার, ১৫৬, লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫

🗓️রোগী দেখার দিন ও ⏰সময়ঃ শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার
                                                   সকাল ১১ টা থেকে ২ টা
                                                   বিকাল ৫ টা থেকে ৮ টা

📲সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ ০১৩২৯-৬৬৭৫৬০
1 views

Related Questions

অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views