2 Answers
"বর্ণচোরা" হলো তৎপুরুষ সমাস।
বিশ্লেষণ:
বর্ণ + চোরা = বর্ণচোরা
এখানে "চোরা" (চুরি করে এমন ব্যক্তি) শব্দটির আগে "বর্ণ" (লিপি বা অক্ষর) এসেছে, যা নির্দেশ করছে কী চুরি করে — অর্থাৎ বর্ণ।
অর্থ দাঁড়ায়: যে ব্যক্তি বর্ণ বা লেখার জিনিস চুরি করে।
সমাসের ধরন:
এটি একটি তৎপুরুষ সমাস, কারণ প্রথম পদ (বর্ণ) দ্বিতীয় পদের (চোরা) কর্ম নির্দেশ করছে এবং সমাসবদ্ধ পদটির অর্থ বিশ্লেষণ করলে হয়: বর্ণের চোরা।
তৎপুরুষ সমাস = পূর্বপদ পরপদের কর্ম, কারক, অধিকরণ ইত্যাদি বোঝায়।
'বর্ণচোরা' হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে 'চোর' (√চোর্+আ) একটি কৃদন্তপদ (ক্রিয়া থেকে গঠিত পদ) এবং এটি পরপদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে, যার ব্যাসবাক্য হলো 'বর্ণ চুরি করেছে যে'।
ব্যাখ্যা: যে তৎপুরুষ সমাসের পরপদ কৃদন্তপদ হয় (যেমন: 'চোর', 'গায়ক', 'ধর') তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
উদাহরণ: 'বর্ণচোরা' (বর্ণ চুরি করেছে যে), 'ঘরপোড়া' (ঘর পুড়েছে যার) এই ধরনের সমাসের উদাহরণ।