1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ে স্বদেশী আন্দোলনের প্রতিফলন ঘটেছে।
বাংলার ধন-সম্পদের লোভে অন্যান্য বিদেশি বণিকদের মতো একসময় ইংরেজরাও এদেশে আগমন করে। এক পর্যায়ে তারা এদেশের শাসন ক্ষমতা দখল করে নেয়। ১৯০৫ সালে ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন এক আদেশবলে বাংলা ভাগ করেন। ব্রিটিশ সরকারের এ বঙ্গভঙ্গ নীতির বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থি অংশের নেতৃত্বে স্বদেশী আন্দোলন গড়ে ওঠে। স্বদেশী আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন। পরবর্তী সময়ে এ আন্দোলনে বিলেতি শিক্ষা বর্জন কর্মসূচিও যুক্ত হয়। বাংলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত ছিল।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলার ধন-সম্পদ ও প্রাচুর্যের লোভে একসময় বিদেশি বণিকেরা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য এদেশে আসে। পরবর্তী সময়ে তারা সুকৌশলে ও আগ্রাসী নীতির মধ্য দিয়ে এদেশে স্থায়ী শাসন চালু করার সুযোগ নেয়। তাদের আগ্রাসী নীতির কারণে একসময় এদেশের জনগণ নিজ ভূ-খণ্ডের মান-মর্যাদা রক্ষার জন্য সজাগ হয়ে ওঠে। দেশকে স্বাবলম্বী করতে তারা বিদেশি পণ্যসামগ্রীর সাথে বিদেশি শিক্ষা বর্জনের আন্দোলনে সাড়া দেয়। তাদের এ আন্দোলনটি স্বদেশী আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ে স্বদেশী আন্দোলনের চিত্র ফুটে উঠেছে।