1 Answers

আর্যদের বৈদিক ভাষা থেকে কালক্রমে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়।

অনেকের মতে, প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীরা তা মেনে নেননি। তারা বলেন, প্রাচীন যুগে আর্যদের যে ভাষায় বৈদিক গ্রন্থ রচিত হয়েছিল স্থানভেদে এবং সময়ের বিবর্তনে তার অনেক পরিবর্তন ঘটে। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশ ভাষার উৎপত্তি হয়। সেই অপভ্রংশ থেকে অষ্টম বা নবম শতকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়।

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views