1 Answers
উদ্দীপকে শ্যামলীর পঠিত শ্লোকটির মাধ্যমে দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনে স্রষ্টার ভূমিকা প্রতিফলিত হয়েছে। মহান ঈশ্বর একজন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক, একজন অসীম ক্ষমতাধর পরমপুরুষ। তিনি সমগ্র বিশ্বে সর্বজীবে পরিব্যাপ্ত। পরম কারণবাদের যৌক্তিকতা থেকে বিচার করলে দেখা যায় যে, এক ঈশ্বর বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে বিস্ময়কর শৃঙ্খলার মাধ্যমে পরিচালিত করেছেন।
যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানিভর্বতি ভারত।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্। (৪/৭)
পবিত্র গীতার এ শ্লোক থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যখন এ বিশ্বে ধর্ম কমে যায়, অধর্ম বেড়ে যায় এবং অত্যাচারী ব্যক্তিদের দ্বারা সাধু ব্যক্তিরা অত্যাচারের শিকার হন তখনই স্রষ্টা জগতে অবতাররূপে অবতীর্ণ হন। এ সময় তিনি দুষ্টকে শক্ত হাতে ধ্বংস করে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। ন্যায়শাস্ত্র অনুসারে ভালো কাজের ফলাফল শুভ এবং মন্দ কাজের ফলাফল অশুভ।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন ও পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনে স্রষ্টার ভূমিকা অপরিসীম।