1 Answers
প্রতিবেশি পারুল সাজেদা বেগমকে খাদ্য সংরক্ষণে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
এ রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ পদ্ধতিতে চিনি, লবণ, সিরকা, তেল, রাসায়নিক দ্রব্য- পটাসিয়াম মেটাসালফাইড, বেনজয়িক এসিড প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়। ফলে সংরক্ষিত খাদ্যে জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত হয়। যেমন-
ভিনেগারে সংরক্ষণ: সবজি, পিকেলস প্রভৃতি খাদ্য ভিনেগারে সংরক্ষিত করা যায়। এতে বিদ্যমান এসিটিক এসিড দ্রব্যের অম্লতা বাড়িয়ে কিছু কিছু জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
লবণে সংরক্ষণ : ইলিশ মাছ, আচার, লেবু, কাঁচা আম, চালতা প্রভৃতি লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
তেলে সংরক্ষণ: ডুবানো তেলে খাদ্য সংরক্ষণ করলে ছত্রাক জন্মাতে পারে না, তবে তেলের পরিমাণ কম থাকলে নষ্ট হতে পারে। যেমন- আচার।
চিনি দ্বারা সংরক্ষণ: চিনির প্রলেপে খাবার পচে না, চিনির সংরক্ষণ ধর্ম দ্রবণের ওপর নির্ভর করে। যেমন- জেলি, আচার ইত্যাদি। চিনি অণুজীবের জন্য বিষাক্ত নয়, তবে চিনির ঘন দ্রবণ অণুজীবের কোষের আর্দ্রতা আস্রাবন প্রক্রিয়ায় শুষে নেয়।
এসকল পদ্ধতি অবলম্বন করে কম সময়ে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করা যায় এবং এতে খাদ্যের কচকচে ভাব ঠিক থাকে, খাদ্য শুকিয়ে যায় না। তাই পারুল সাজেদাকে এই পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের পরামর্শ দিলেন।