1 Answers

বাংলাদেশের গবেষকদের পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনের সাফল্য সম্ভব হয়েছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির মাধ্যমে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন। নিচে এটি ব্যাখ্যা করা হলো-

জীবদেহে জীনোমকে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়ে কিংবা একাধিক জীবের জীনোমকে জোড়া লাগিয়ে নতুন জীবকোষ সৃষ্টির কৌশলই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈশিষ্ট্যের বাহক হচ্ছে জিন। অন্যদিকে জিনোম হলো জীবের বৈশিষ্ট্যের নকশা বা বিন্যাস। কোনো উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন করতে চাইলে উক্ত উদ্ভিদের জিনোমের কোনো একটি জিনকে পরিবর্তন করে দিতে হয়। যেহেতু জিনগুলো আসলে ডিএনএ'র একটি অংশ, তাই একটা জিনকে পরিবর্তন করতে হলে ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ'র সেই অংশটুকু কেটে আলাদা করে অন্য কোনো প্রাণী বা ব্যাকটেরিয়া থেকে আরেকটি জিন কেটে এনে সেখানে লাগিয়ে দিতে হয়। এর ফলে একটি নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকে বাংলাদেশের গবেষকগণ এই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করেই পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনে সক্ষম হয়েছেন।

7 views

Related Questions