1 Answers

উদ্দীপকে ম্যাডাম মধ্যপদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। সহানুমানের যে পদ আশ্রয়বাক্যে থাকে, কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না তাকে 'মধ্যপদ' বলে। এটি উভয় আশ্রয়বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে। প্রধান আশ্রয়বাক্যের প্রধানপদের সাথে মধ্যপদের সম্পর্ক থাকে। আবার অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের অপ্রধান পদের সাথে মধ্যপদের সম্পর্ক থাকে। মধ্যপদ সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থেকে প্রধান ও অপ্রধান পদের মধ্যে সম্বন্ধ তৈরি করে। এই সম্বন্ধের কারণেই সহানুমানে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়। অর্থাৎ মধ্যপদ সেতু বন্ধনকারী বা যোগসূত্র হিসাবে কাজ করে। বর ও কনের ঘটকের মতো মধ্যপদ কাজ করে। ঘটক ছাড়া যেমন বর-কনের সম্পর্ক স্থাপিত হয় না, তেমনি মধ্যপদের হস্তক্ষেপ ছাড়া প্রধান পদ ও অপ্রধান পদ এর মধ্যে কোনো সম্পর্ক তৈর হয় না। আর সম্পর্ক তৈরি না হলে সহানুমানের সিদ্ধান্তও অনুমিত হয় না। কাজেই দুটি আশ্রয়বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য মধ্যপদের ব্যবহার অবশ্য প্রয়োজনীয়। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল।
 রহিম হয় একজন মানুষ।
রহিম হয় মরণশীল।

এখানে মধ্যপদ 'মানুষ' আশ্রয়বাক্য দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে সিদ্ধান্তে এসে উপনীত হয়েছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, সহানুমানের সিদ্ধান্তের জন্য মধ্যপদের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

5 views

Related Questions