1 Answers

আয়শা বেগম মাশরুম চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। মাশরুম অত্যন্ত সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি সবজি যা বর্তমানে অনেকের বাসা-বাড়িতে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

মাশরুম চাষে পুঁজি কম লাগে। অল্প শ্রমে কম দিনের মধ্যে বিনিয়োগকৃত অর্থ তুলে আনা যায়। ১০-১৫ হাজার টাকা একসাথে বিনিয়োগ করে প্রতিমাসে ৩-৪ হাজার টাকা আয় করা যায়। এক কেজি মাশরুম চাষ করতে খরচ হয় ৪০ টাকা যা ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। অন্যান্য উদ্যান ও মাঠ ফসলের তুলনায় মাশরুম চাষে লাভ বেশি হয়। মাশরুম চাষে বাড়তি আবাদি জমির প্রয়োজন হয় না, ভূমিহীন কৃষকেরাও চাষ করতে পারেন। এটি কুটির শিল্পের মতো ঘরে বসেই করা যায় বলে মহিলারা সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন। মাশরুম চাষে কর্মহীন লোকদের নিয়োজিত করে দেশে অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। আবার মাশরুম চাষ শেষে স্পন প্যাকেট জৈবসার হিসেবে জমিতে ব্যবহার এবং বিক্রি করা যায়।

তাছাড়া মাশরুমে শর্করা কম, আঁশ ও আমিষের পরিমাণ মাছ বা মাংসের তুলনায় বেশি এবং প্রচলিত সবজির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় চাহিদা বেশি। বিভিন্ন রোগের উপশমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মাশরুমের বহুমুখী ব্যবহার থাকায় চিকিৎসা শাস্ত্রেও মাশরুম লাভজনক ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায়, মাশরুম চাষ অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

4 views

Related Questions