1 Answers
এনায়েতপুর গ্রামের কৃষকদের নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিস জরুরি কৃষকসভা না করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন। দুটো সমাবেশের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রায় একই হলেও স্থান, সময় ও প্রয়োজনের ভিন্নতা রয়েছে।
কৃষক সভা প্রতি মাসের যেকোনো তারিখে বা নির্দিষ্ট তারিখে আয়োজন করা হয়। এতে ৫০-৬০ জন কৃষক উপস্থিত থাকেন। এটি সাধারণত উপজেলা কৃষি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজন করা হয়। সভাটি মৌসুমের শুরুর আগে বা মাঝে করা হয়। এ সভার মূল উদ্দেশ্য হলো তথ্য প্রদান, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রচার, | প্রসার, কৃষকদের সমস্যা সমাধান করা।
অপরদিকে, উঠোন বৈঠক যেকোনো সময়ে, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে করা হয়। এতে ২৫-৩০ জন কৃষক উপস্থিত থাকেন। এর প্রধান উদ্দেশ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগ-পোকা দমন, জরুরি করণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। এনায়েতপুর গ্রামে ধানক্ষেতে পোকার আক্রমণের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা কৃষি অফিস ২২ জন ধানচাষি নিয়ে ধানক্ষেতেই বৈঠক করেন। তাৎক্ষণিক ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতেই তাদের এ সিদ্ধান্ত। ফলে গ্রামের অধিকাংশ কৃষকই দ্রুত পোকা দমন করে ক্ষতি থেকে রক্ষা পান।
সুতরাং বলা যায়, জরুরি প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই কৃষক সভা না করে উঠোন বৈঠক করা হয়।