1 Answers
উদ্দীপকে জেন্ডার বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে।
জেন্ডার হচ্ছে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা নারী-পুরুষের পরিচয়। এই পরিচয়ের কারণে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য করা হয়; যা শুভ্র ও তিশার ক্ষেত্রেও লক্ষণীয়। জেন্ডার বৈষম্যের নানাবিধ প্রভাব দেখা যায়।
জন্মগত বৈষম্য: পিতৃতান্ত্রিক সমাজে জন্ম নেওয়া সন্তানের ক্ষেত্রে জেন্ডার বৈষম্য চোখে পড়ে। যেমন- একটি পুত্রসন্তান পেলে তারা যেরূপ আনন্দচিত্তে ও আগ্রহভরে তাকে নিয়ে নানান রঙিন স্বপ্ন দেখে, একটি কন্যাসন্তান হলে ঠিক তদ্রুপ বিষাদঘন চিত্তে তারা কন্যাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনায় পড়ে।
খাদ্য পরিবেশনে বৈষম্য: পরিবারে খাবার পরিবেশনকালে ছেলে ও মেয়ে একত্রে উপস্থিত থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছেলেকে উত্তম খাদ্য পরিবেশন করা হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য: অনেক পরিবারেই পুত্রসন্তানের জন্য যথাসাধ্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও কন্যাসন্তানের জন্য ততখানি করা হয় না। অল্পবয়সেই মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তার পিছনে পড়াশোনা বাবদ ব্যয় কমানো যায়।
শ্রমমূল্যে বৈষম্য: জেন্ডার বৈষম্যের কারণে নারীরা পুরুষের তুলনায় কম মজুরিতে কাজ করে থাকে।
চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্যঃ আমাদের দেশে চাকরির ক্ষেত্রে জেন্ডার বৈষম্য চোখে পড়ে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ হওয়ায় সকল কর্মক্ষেত্রে পুরুষেরা বেশি অগ্রাধিকার পায়। এছাড়া অনেক কর্মে মেয়েদের নিরুৎসাহিত করা হয়।