1 Answers
উদ্দীপকে হামিদুল স্যার সভ্যতাকে সংস্কৃতিরই একটি বিশেষ রূপ উল্লেখ করে সংস্কৃতির সাথে সভ্যতার বিশেষ সম্পর্কের কথা বলেছেন।
সংস্কৃতি ও সভ্যতা শুধু আত্মনির্ভরশীল নয়, আত্মক্রিয়াশীলও বটে। সংস্কৃতির দুটি অংশ। যথা- বস্তুগত ও অবস্তুগত সংস্কৃতি। বস্তুগত সংস্কৃতির চরম বিকাশই সভ্যতা। সংস্কৃতির উপাদান যেমন সভ্যতার উপাদান দ্বারা প্রভাবিত তেমনি সভ্যতার উপাদানও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপকরণের দ্বারা অনেকখানি প্রভাবিত। এজন্য সংস্কৃতিকে সভ্যতার মূল চালিকাশক্তি বলা হয়। এ প্রসঙ্গে ম্যাকাইভার ও পেজ বলেন, "সভ্যতা যদি দেহ হয়, তবে আত্মা হলো সংস্কৃতি।" অনেক সমাজবিজ্ঞানী বস্তুর ব্যবহারিক দিক ও কলাকৌশলকে সংস্কৃতি বলেছেন। এমনকি বস্তুকেও তারা সংস্কৃতি থেকে বাদ দেননি। আর তাদের মতে, 'মানুষের বিমূর্ত চিন্তার ফসল হলো সভ্যতা'। আবার মানুষের চিন্তা যেহেতু সংস্কৃতির উপাদান তাই বলা যায়, সংস্কৃতির একটি বিশেষ রূপ হলো সভ্যতা।
উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সভ্যতা মূলত সংস্কৃতিরই একটি বিশেষ রূপ।