1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থাবলি অর্থাৎ সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদান সামাজিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
সাধারণত সংস্কৃতির অবস্তুগত দিকগুলো যেমন- সমাজের জ্ঞান, আদর্শ, মূল্যবোধ, রীতিনীতি, বিশ্বাস, সংস্কার, প্রথা, গল্প, রূপকথা, বিভিন্ন প্রকার গান ইত্যাদি গ্রন্থ, জার্নাল, ম্যাগাজিন ও পত্র-পত্রিকায় ছাপার অক্ষরে প্রতিবিম্বিত হয়। এর মাধ্যমে সহজেই সমাজে প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে পরিচিত হওয়া সম্ভব, যা ব্যক্তিকে সমাজের সাথে খাপখাওয়াতে সাহায্য করে।
বর্তমান সময়ে অনেক পরিবারের ছেলেমেয়েরা নিয়মিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা পাঠ করে। যা তাদের সামাজিক নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। এছাড়া সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদানগুলোর মাধ্যমে যেমন সমাজজীবনের নানাদিক তুলে ধরা যায়, তেমনি এগুলোর মাধ্যমে নানা অসঙ্গতিকেও তুলে ধরা সম্ভব। ফলে এগুলো মানুষের আবেগ ও চেতনা জাগ্রত করে।
উপরের আলোচনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সংস্কৃতির অবস্তুগত দিক যেমন- গল্প, রূপকথা, বিভিন্ন গান, উপদেশমূলক বাণী ইত্যাদি সামাজিক নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থাবলি সামাজিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।