1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত পরার্থমূলক আত্মহত্যা ছাড়াও ডুর্খেইম আত্মকেন্দ্রিক ও নৈরাজ্যমূলক আত্মহত্যার কথা বলেছেন।

ব্যক্তি যখন সমাজ থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ে তখন ব্যক্তির ওপর সামাজিক বন্ধনের শিথিলতা, একাকীত্ববোধ, জীবনযাত্রার বিষন্নতা, সমাজের সীমাহীন অভাব, সামাজিক সাহায্য ও সহযোগিতার অভাব ইত্যাদি কারণে কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। ডুর্খেইম এ ধরনের আত্মহত্যাকে 'আত্মকেন্দ্রিক আত্মহত্যা' বলে অভিহিত করেন। অন্যদিকে ডুর্খেইম বলেন, যেসব সমাজে অর্থনৈতিক সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করে সেসব সমাজ নৈরাজ্যমূলক আত্মহত্যা অধিক ঘটে। আর্থিক সংকটের কারণে সমাজে যখন মানুষ খাপ খাইয়ে চলতে পারেনা তখন অনেক সময় নৈরাজ্যমূলক আত্মহত্যা সংঘটিত হয়।

5 views

Related Questions