1 Answers
উদ্দীপকে A এবং B-এর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাজবিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের স্বরূপ ফুটে উঠেছে। A-এর মন্তব্যে নির্বাচন, রাজনীতি প্রভৃতি বিষয়গুলো ফুটে উঠেছে। যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যতম আলোচ্য বিষয়বস্তু। অন্যদিকে B-এর মন্তব্যে সমাজ, সামাজিক বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য প্রভৃতি বিষয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে। যা সমাজবিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সমাজবিজ্ঞানের সম্যক জ্ঞান ছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানের স্বরূপ অনুধাবন প্রায় অসম্ভব। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বিভিন্ন হলেও এর কেন্দ্রীয় বিষয় হলো রাষ্ট্র আর এই রাষ্ট্র প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল সামাজিক সংগঠন। সেই সূত্র ধরেই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়। সমাজবিজ্ঞানের প্রভাবের ফলেই আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনায় সমাজব্যবস্থার উপাদান হিসেবে রাজনৈতিক আচার-আচরণের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ গুরুত্ব লাভ করেছে। বর্তমানে অনেক সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। অনুরূপভাবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানও সমাজবিজ্ঞানের জন্য বিভিন্ন উপাদান সরবরাহ করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সমাজবিজ্ঞান রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে রাষ্ট্রীয় সংগঠন ও রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি সম্পর্কিত জ্ঞান সংগ্রহ করে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কলা যায়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞান এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিজ্ঞানের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়।