1 Answers
মিজান স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী পুকুরে খাদ্যের ঘাটতি নির্ণয়ের জন্য কিছু পরীক্ষা করেন। পুকুরে খাদ্যের ঘাটতি বা উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা হয়-
১. সেকিডিস্ক: ২০ সেমি ব্যাসযুক্ত টিনের একটি সাদা-কালো থালা (একে সেকিডিস্ক বলে) সুতা দ্বারা পানিতে ডুবানোর পর যদি ২৫-৩০ সেমি গভীরতায় থালা না দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য রয়েছে। যদি ৩০ সেমি এর অধিক গভীরতায় সেকিডিস্ক দেখা যায় তবে বুঝতে হবে খাবার অনেক কম।
২. হাত পরীক্ষা: পানিতে হাতের কনুই পর্যন্ত ডুবিয়ে যদি হাতের তালু দেখা না যায় তবে বুঝতে হবে খাদ্য পরিমাণমতো তৈরি হয়েছে।
৩. গ্লাস পরীক্ষা: একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাস দ্বারা পুকুরের পানি নিয়ে সূর্যের আলোর দিকে ধরলে যদি পানির রং সবুজ বা বাদামি সবুজ দেখা যায় এবং পানিতে অসংখ্য, সূক্ষ্ম কণা ও ছোট পোকার মতো দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরিমাণমতো তৈরি হয়েছে।