1 Answers

মসজিদের ইমাম সাহেব মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণে হাদিসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, যার বিধান পালন করা আমাদের জন্য অপরিহার্য। ইসলামি শরিয়তে আল কুরআন হলো ইসলামের প্রদীপ, আর হাদিস তার বিচ্ছুরিত আলো। আল কুরআনের সর্বোৎকৃষ্ট ব্যাখ্যাগ্রন্থ হলো হাদিস। ইসলামের যাবতীয় মৌল নীতিমালা কুরআন দ্বারাই নির্ধারিত। আর হাদিস সেই মৌল নীতিকে ভিত্তি করে তার প্রায়োগিক দিকনির্দেশনা দেয়। রাসুল (স) বিদায় হজের ভাষণে শরিয়তের বিধান হিসেবে কুরআনের সাথে হাদিসেরও সত্যতা প্রদান করে গেছেন। যা মসজিদের ইমাম সাহেবের বক্তব্যেও প্রতিফলিত হয়।

উদ্দীপকের দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি শাহেদ মনে করেন, ইসলামি শরিয়তের উৎস হিসেবে শুধু আল কুরআনই যথেষ্ট। তার এ কথা শুনে ইমাম সাহেব মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে রেখে যাওয়া শরিয়ত তথা হাদিসের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। রাসুল (স) বিদায় হজের ভাষণে বিধান হিসেবে মানুষের জন্য দুইটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন। একটি হলো কুরআন, অপরটি হাদিস।

আল কুরআনের ভাষাশৈলী অনেক নিগূঢ় তাৎপর্য বহন করে। আমাদের পক্ষে সেই অর্থ বিশ্লেষণ করে আমল করা সবক্ষেত্রে সম্ভব নয়। হাদিসের মাধ্যমে কুরআনে নির্দেশিত বিধানগুলো বুঝে সঠিকভাবে আমল করা সম্ভব। হাদিস পবিত্র কুরআনের ব্যাখ্যাগ্রন্থ। যেমন- আল-কুরআনে নামাজ কায়েমের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কীভাবে বা কোন নিয়মে তা কায়েম করতে হবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। হাদিস এই নামাজ কায়েমের নিয়ম ও পদ্ধতি বর্ণনা করেছে।

সুতরাং বলা যায়, সহিহভাবে আমল করতে হলে এবং কুরআনকে বুঝতে হলে হাদিস পাঠ ও অনুসরণের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

4 views

Related Questions