1 Answers
উদ্দীপকে মাওলানা আকবরের বক্তব্যে হযরত আদম (আ) কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। আল্লাহ প্রেরিত পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও নবি হলেন হযরত আদম (আ)। আল্লাহ তায়ালা আদম (আ) এর পর হাওয়া (আ)কে সৃষ্টি করলেন। তারপর তাদের উভয়কেই জান্নাতে বসবাসের সুযোগ দেন এবং একটি আদেশ জারি করেন। তাদের প্রতি আল্লাহর দেওয়া আদেশটি হলো- তোমরা উভয়ে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে খেতে থাকো। তবে এ গাছের কাছেও যেও না (সুরা বাকারা: ৩৫)। পরে শয়তানের ধোকায় তাই ঘটে যায়, যা আল্লাহ নিষেধ করেছেন। অতপর আদম (আ) তার ভুলের জন্য চরম অনুশোচনা করে তওবা করেন এবং মুক্তি পান। মাওলানা আকবরের বক্তব্যে তারই ইঙ্গিত রয়েছে।
উদ্দীপকে মাওলানা আকবর ইসলামি জলসায় হযরত আদম (আ) সম্পর্কে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি হযরত আদম (আ) এর ভুল এবং আল্লাহর শিখিয়ে দেওয়া বাক্যের মাধ্যমে তা থেকে মুক্তির কথা আলোচনা করেন। মূলত এ বাক্যটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের আদি পিতা হযরত আদম এর প্রতি এক বিশেষ নিয়ামত। ইবলিসের শত্রুতার শিকার হয়ে জান্নাতে বসবাসরত আদম (আ) আল্লাহর নির্দেশ লঙ্ঘন করেন। তিনি সপরিবারে নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল খেয়ে ফেলেন। এরপর আল্লাহ আদম দম্পতিকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন। দুনিয়ায় আসার পর আল্লাহর নির্দেশ লঙ্ঘনের ভুলের জন্য আদম (আ) সীমাহীন লজ্জা ও অনুশোচনায় পড়ে আল্লাহর কছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
আল্লাহর শিখিয়ে দেওয়া বাণী ও পদ্ধতিতে আদম (আ) এর অব্যাহত বিনীত প্রার্থনার পর আল্লাহ তায়ালার দয়া পরবশ হন এবং তার দোয়া কবুল করেন। অতঃপর আদম (আ) মুক্তি পেলেন। আমরাও যথাযথভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আমাদের পাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি।