1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত মুনীরুজ্জামানের বক্তব্যটি সঠিক ও যুগোপযোগী। মদিনা সনদই পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। মহানবি (স) যখন মক্কা হতে মদিনায় হিজরত করেন তখন বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সমতা স্থাপনের লক্ষ্যে এবং আদর্শিক সমাজ প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে একটি সর্বজন গৃহীত সংবিধান রচনা করেন এবং এর নাম দেন "মদিনা সনদ”।
আমরা যদি এ সনদের আলোকে জীবনযাপন করি তাহলে সমাজে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। কেননা এ সনদের অন্যতম একটি ধারা হলো, মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান ও পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমূহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে এবং তারা একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসবে পরম সহিষ্ণুতা ও স্থিতিশীলতা। কেননা মদিনা সনদে প্রত্যেকের জন্য সমান রাজনৈতিক অধিকার থাকে। যার কারণে সংঘাত কমে যায়। আর সংঘাত কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি বাড়বে। রাষ্ট্রও হয়ে উঠবে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, সমাজে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা রক্ষায় মদিনা সনদ একটি প্রণিধানযোগ্য সংবিধান।