1 Answers
আজাদ সাহেবের ব্যাংকিং ব্যবস্থাটি কুরআন ও সুন্নাহর বিধিবিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত নয় বলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদভিত্তিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষেধ। আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল আর সুদকে হারাম করেছেন। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে লাভের পাশাপাশি ক্ষতির ঝুঁকিও নিতে হয়। কিন্তু আজাদ সাহেবের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই এবং সুদের বিষয়টি স্পষ্ট উল্লেখ থাকায় এ ধরনের ব্যবস্থা ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, আজাদ সাহেব সরকারি চাকরি শেষে প্রাপ্ত পেনশনের টাকা একটি সুদি ব্যাংকে জমা রাখেন। সেখান থেকে প্রতি মাসে যে সুদ পান তা দিয়ে তিনি সংসার চালান। অথচ সুদি লেনদেনের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাষায় নিষেধ করেছেন। রাসুল (স) সুদ দাতা, সুদ গ্রহণকারী এবং এর সাক্ষ্যদাতার প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন। সুতরাং আজাদ সাহেব জীবিকা নির্বাহের জন্য যে পথ বেছে নিয়েছেন নিঃসন্দেহে তা কুরআন ও হাদিসের নীতিমালার বিরোধী। আর ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থি হওয়ায় এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়।