1 Answers

উদ্দীপকের কদম আলীর ওজনে কম দেওয়ার কাজটি প্রতারণার শামিল। আর প্রতারণার পরিণতি ভয়াবহ। ইসলামে প্রতারণা জঘন্যতম পাপ। এটা আখলাকে জামিমার অন্তর্ভুক্ত। এটি তাকওয়াপূর্ণ জীবনের পরিপন্থি। সমাজ থেকে প্রতারণার মতো ঘৃণ্য কাজকে চিরতরে বিদায় করার জন্য ইসলামে কঠোর বিধান রয়েছে। প্রতারণা করলে কেউ মুসলিম থাকতে পারে না। রাসুল (স) বলেছেন, "যে প্রতারণা করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়" (মুসলিম)। প্রতারণাকারী মুনাফিক। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চয়ই মুনাফিক জাহান্নামের নিম্নস্তরে থাকবে" (সুরা নিসা: ১৪৫)। প্রতারকের পরিণতি সম্পর্কে রাসুল (স) আরো বলেছেন, “যে ব্যক্তি পৃথিবীতে দুমুখোনীতি অবলম্বন করবে, কিয়ামতের দিন তার মুখে আগুনের দুটি জিহ্বা থাকবে" (সুনানে আবু দাউদ)।

উদ্দীপকের মাছ ব্যবসায়ী কদম আলী ওজনের সময় পাল্লার নিচে লৌহখন্ড ঝুলিয়ে রাখে। অর্থাৎ সে প্রতারণার মাধ্যমে ক্রেতাদের ঠকিয়ে অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন করে। প্রতারক বলে সেও একজন মুনাফিক। ইসলামের বিধানমতে তার স্থান হবে জাহান্নামে। তাই কদম আলীর উচিৎ আল্লাহর কাছে তওবা করে এ ধরনের প্রতারণার পথ পরিহার করা এবং সততার সাথে ব্যবসা করা। তবেই সে পরকালে জাহান্নামের কঠোর শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে পারে।

5 views

Related Questions