1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত দুটি ঘটনায় সুদ ও ঘুষের কুফলের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের সালেহা বেগম মাজেদা ভাবীর সুদের বিনিময়ে টাকা ধার নেয়ার কারণে চিন্তিত পাশাপাশি মনোকষ্টেও আছেন। আর ওয়াজেদ সাহেব ঘুষের কারণে ছেলের চাকরি হয়নি বলে রাগান্বিত অন্তরালে মর্মবেদনাও আছে। তাদের এ মনোভাব এবং এর কারণ অর্থাৎ ঘুষের কারণে মেধাবী সিফাতের চাকরি থেকে বঞ্চিত হওয়া ও সুদের কারণে ভবিষ্যতে মাজেদা ভাবীর সম্ভাব্য হয়রানিই সুদ ও ঘুষের প্রধান কুফল তুলে ধরে। সুদ ও ঘুষের অসংখ্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কুফল রয়েছে যে কারণে সৎ মানুষরা এ দুটো ঘৃণার চোখে দেখে। অনুৎপাদনশীল ও অকল্যাণকর খাতে বিনিয়োগ বাড়ে আর জাতীয় বিনিয়োগ হ্রাস পায়, কাজের সুযোগ কমে আসে, সমাজে দক্ষ-অদক্ষ বেকার মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়, সম্পদ হ্রাস পায়, পরিশ্রম ও কর্মমুখিতা হ্রাস পায়। আর ঘুষের কারণে মানুষের অধিকার হরণ, আমানতের খিয়ানত ছাড়া নানাবিধ ক্ষতি সাধিত হয় এবং সামাজিক অপরাধ ও অপব্যয় বৃদ্ধি পায়। এ সকল কারণে সমাজের সৎ ও নিরীহ মানুষ হয়রানি ও ক্ষতির শিকার হয় বলে এ দুটোরই ধর্মীয় কুফল ভয়াবহ। ইসলামে এদেরকে মুমিন মনে করা হয় না বরং আল্লাহ আল্লাহ এদেরকে চিরস্থায়ী জাহান্নামে নিক্ষেপের অঙ্গীকার করেছেন।

5 views

Related Questions