1 Answers
আদর্শের কথা বলায় আমি কামাল সাহেবের স্ত্রীকে সমর্থন করি। আদর্শ শব্দের অর্থ- দৃষ্টান্ত, অনুকরণযোগ্য শ্রেষ্ঠ বিষয়। আর আদর্শের সর্বউচ্চ দৃষ্টান্ত হচ্ছে আমাদের রাসুল (স)। তিনি নিজেই বলেছেন- 'আমি তোমাদের নিকট আদর্শ হিসেবে প্রেরিত হয়েছি'।
পরিবারই আদর্শের লালনক্ষেত্র। এর উপর ভিত্তি করে মানবজীবন রচিত হয়। নৈতিক ও মানবিক জীবন তথা আদর্শবান জীবন গঠনে ইসলামিক পরিবারের গুরুত্ব সর্বাধিক। পরিবারে পিতামাতা সবচেয়ে গুরুত্ব রাখে সন্তানকে আদর্শবান করে গড়ে তুলতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শুধু সন্তানকে লালন-পালন করলেই তার দায়িত্ব শেষ হবে না। বরং তাকে ইসলামিক আকিদা, আমল সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে, সন্তানের প্রতি এ দায়িত্ব যদি যথাযথভাবে হয় তাহলে শিশু সঠিক জ্ঞান নিয়ে বড় হয়ে ওঠবে। আর শৈশবের এ শিক্ষাই তার সারা জীবন পাথেয় হয়ে থাকবে। শৈশবে ও কৈশরে মানব শিশু যে অভ্যাস গড়ে তোলে আমৃত্যু সে অভ্যাসের প্রভাব থাকে। পরিবার থেকেই শিখবে সুদ, ঘুষ, মাদক, সন্ত্রাস, প্রতারণা, মিথ্যাসহ যাবতীয় নিষিদ্ধ কাজ থেকে দূরে থাকা। সত্য, দেশপ্রেম, ইমানসহ ভালো কাজের অনুশীলন। আর এ আদর্শ অনুশীলনের দ্বারাই পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে।
উদ্দীপকে কামাল সাহেব তার সন্তানকে বর্তমান অবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক বানাতে চায়। আর তার স্ত্রী তার সন্তানকে আদর্শবান, শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, জনাব কামালের স্ত্রীর সিদ্ধান্তটি যথার্থ।