1 Answers

ইসলামি পরিবারের বৈশিষ্ট্যের আলোকে আসিফের বক্তব্যটি যথার্থ। ইসলামি পরিবার হলো মানুষের মর্যাদা, চরিত্র, পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণের অন্যতম মাধ্যম। সৃষ্টির সেরা হিসেবে মানুষকে আল্লাহ তায়ালা বিবেক-বুদ্ধি দিয়েছেন। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান ও ভাই-বোনের পারস্পরিক কর্তব্য ও অধিকার শরিয়তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিবারব্যবস্থা মানুষকে নিজের কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করে। মানুষের নৈতিক ও চারিত্রিক গুণাবলি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইসলামি পরিবারের গুরুত্ব সীমাহীন। এ পরিবারব্যবস্থায় মানুষের অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত হওয়া সম্পূর্ণ হারাম। শরিয়তে নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিয়ের মাধ্যমে জৈবিক চাহিদা পূরণের বিধান রয়েছে। কুরআন ও সুন্নাহর বিধানমতে সবাই নিজ নিজ কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করলে এবং কেউ অন্যের অধিকার হরণ না করলে ইসলামি পরিবারে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ নেই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আহসান ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী পারিবারিক জীবনযাপন করেন না। তিনি নিজের পরিবারের প্রতি অমনোযোগী। তিনি স্ত্রী-সন্তানকে যথাযথ মর্যাদা দেন না। অর্থাৎ আহসান সাহেব ইসলামি পরিবারের বিধান অনুযায়ী নিজের পরিবার পরিচালনা করেন না। এ কারণে তার সংসারে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি দেখা দিয়েছে। তার পরিবারের এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ইসলামি পরিবারের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, জনাব আহসান সাহেব পরকীয়া থেকে বিরত থেকে ইসলামি পরিবারের বিধান অনুযায়ী নিজের পরিবারের প্রতি কর্তব্য পালনে মনোযোগী হলে তার পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে। সৃষ্টির সেরা হিসেবে মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষিত হবে।

4 views

Related Questions