1 Answers

কর্তা হিসেবে জনাব শেবাবের ব্যর্থতায় তার পরিবারটি নৈতিক মূল্যবোধ থেকে দূরে সরে গেছে। জনাব শেবাব সন্তানদেরকে ইসলামি আদব-কায়দা ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে পারেননি। অথচ ইসলামি পরিবারে সন্তানদেরকে আদব-কায়দা শিক্ষা দিতে বলা হয়েছে। মহানবি (স) বলেছেন, সন্তানের জন্য পিতার দানের মধ্যে সুন্দর আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়ার চেয়ে উত্তম কিছু নেই। (তিরমিযি) সঠিকভাবে আদব-কায়দা শিখলে সন্তানরা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হয়ে গড়ে ওঠে।

পরিবারের প্রধানের অন্যতম দায়িত্ব হলো সন্তানদের ধর্মানুশীলনে অভ্যস্ত করা। আর ইসলাম ধর্ম নৈতিক ও মানবিক জীবনের প্রধান পথদ্রষ্টা। মহানবি (স) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের সালাতের নির্দেশ দাও, যখন তাদের বয়স সাত বছর। আর দশ বছর বয়সে তারা সালাত আদায় না করলে তাদের শাস্তি দাও। (আবু দাউদ)

সন্তান বিয়ের উপযুক্ত হলে পরিবারের প্রধানের দায়িত্ব হলো তার বিয়ের ব্যবস্থা করা যেন সন্তান কোনো অনৈতিক কাজের দিকে ধাবিত না হয়। মহানবি (স) বলেছেন, সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাকে বিয়ে দাও। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিয়ে না দেওয়ার কারণে যদি সন্তান পাপের কাজে লিপ্ত হয় তবে তার জন্য সন্তানের পিতা দায়ী হবে। (বায়হাকি)

সুতরাং সন্তানের নৈতিক জীবন গঠনে পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু কর্তা হিসেবে জনাব শেবাব এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

5 views

Related Questions