1 Answers

হাসান সাহেবের পারিবারিক জীবনের প্রভাবেই তার সন্তানেরা পাশ্চাত্য কৃষ্টি-কালচার ও সভ্যতায় বড় হয়ে উঠেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা পিতা-মাতার প্রতি কীভাবে কর্তব্য বা দায়িত্ব পালন করতে হবে তার বহু ব্যাখ্যা পবিত্র কুরআন মজিদের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আমাদের উচিত এগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা।

উদ্দীপকে দেখা যায়, হাসান সাহেবের দুই ছেলে মেয়ে পারিবারিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাদের আচরণে তাদের পিতা-মাতা সন্তুষ্ট নন। এ কারণে হাসান সাহেব ও তার স্ত্রী বন্ধু খালিদ সাহেবের ছেলে-মেয়ের অমায়িক ব্যবহারে মুগ্ধ হন এবং তাদের পরিবারের অবস্থার কথা ভেবে আফসোস করেন।

মাতাপিতার প্রতি সন্তানের অন্যতম কর্তব্য হলো সন্তান তাদের প্রতি অনুগত থাকবে। তাদের আদেশ-নিষেধ মেনে চলবে। আর হাসান সাহেবের সন্তানেরা মাতা-পিতার প্রতি অনুগত হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে চলে। কারণ হাসান সাহেবের সন্তানেরা মনে করে তারা অনেক শিক্ষিত, তারা অনেক জানে, এমনটি কখনোই উচিত নয়। সন্তান সবসময় মাতাপিতার প্রতি অনুগত থাকবে। এটা মাতাপিতার প্রতি সন্তানের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত। মাতাপিতার সম্মান ও মর্যাদার কারণে তাদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করা যাবে না। তাদের সাথে কথায়, আচরণে কর্কশতা-কঠোরতা প্রকাশ করা যাবে না। বরং পরম ভালোবাসা, মমতা ও শ্রদ্ধায় সন্তান তাদের প্রতি সম্মাজনক আচরণ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'পিতামাতার জন্য বিনয়ের বাহু অবনত করে দাও।'

উদ্দীপকে হাসান সাহেবের দুই ছেলে-মেয়ে বিদেশে পড়াশোনা করছে। ফলে তারা পাশ্চাত্য কৃষ্টি-কালচার ও সভ্যতার বড় হয়েছে। তারা মাতা-পিতার কর্তব্য পালন করতে শেখেনি। গুরুজনদের সম্মান করতে শেখেনি। আর এর জন্য দায়ী হলো হাসান সাহেবের পরিবার।

6 views

Related Questions