1 Answers
সাওমের ফজিলত বিষয়ে হায়দারের বাবার সর্বশেষ উক্তিটি যথার্থ। সাওম পালনকারী আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তি। যে ব্যক্তি সাওম পালন করে সে অশেষ পুণ্যের অধিকারী হয়। সাওম পালন একটি মৌলিক ফরজ কাজ। সাওম সাধনার মাধ্যমে বান্দার ধৈর্যের পরীক্ষা হয়। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের ওপর সাওম ফরজ।
মুসলিম মাত্রই তাকওয়া অর্জন করা অপরিহার্য। আর সাওম পালনের মাধ্যম অধিক তাকওয়া অর্জন সম্ভব। আল্লাহর ঘোষণা- 'তোমাদের ওপর সাওম ফরজ করা হয়েছে, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।' মহানবি (স) বলেছেন, 'সকল সৎকাজের পুণ্য দশ গুণ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত হবে। কিন্তু সাওম একমাত্র আল্লাহর জন্য বিধায় তার পুণ্য আল্লাহ নিজে দিবেন।' উদ্দীপকে কলেজ পড়ুয়া ছাত্র হায়দার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, কিন্তু কষ্ট হওয়ায় সাওম পালন করে না। তার বাবা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে সাওমের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বুঝিয়ে বললেন।
সাওম পালনকারী পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ, ঝগড়া-বিবাদ সবকিছু থেকে বিরত থাকে। ধনী ব্যক্তিরা সারাদিন সাওম পালনের কষ্ট সহ্য করে অনাহারের কষ্ট বুঝতে পারে। অসহায়, দরিদ্রের প্রতি তারা সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে। আর অসহায়, দরিদ্রের প্রতি ভালোবাসা আল্লাহ পছন্দ করেন। হায়দার সাওম পালনের মাধ্যমে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবে এবং ভালো কাজে উদ্যোগী হবে। এভাবে সাওম পালনের মাধ্যমে হায়দার আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হবে।