1 Answers

পলাশের চাষকৃত নাইলোটিকা মাছের পেট ফোলা এবং শোঁথ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকলেও পরবর্তীতে Aeromona punctata নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এ রোগ হয়। কাজেই ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই এ রোগের জন্য দায়ী। মাছের এ রোগ হলে পরিমিত পরিমাণ সুষম খাদ্য প্রদান করতে হয়। পুকুরে নিয়মিত শতাংশ প্রতি ডলোচুন ১ কেজি (তিন মাস অন্তর অন্তর) হারে প্রয়োগ = করতে হবে। প্রথমে জীবাণুমুক্ত সুচ দিয়ে পেটে জমে থাকা তরল পদার্থ বের করে ফেলতে হবে। অতঃপর প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ২০০ মিলি গ্রাম হারে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন মিশিয়ে ৭-১০ দিন খাওয়াতে হবে। বড় মাছের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৫০-৬০ মিলি গ্রাম হারে স্টেপটোমাইসিন পেট গহ্বরে ইনজেকশন করে দিতে হবে। মাছের খাবারে ফিসমিল, ব্যবহার করতে হবে। প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে প্লাংকটনের স্বাভাবিক উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া মাছ ছোট হলে প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ২০০ মিলি গ্রাম হারে ক্লোরোমফেনিকল মিশিয়ে ২ সপ্তাহ খাওয়াতে হবে।

উপরিউক্ত প্রতিকার ব্যবস্থাগুলো অনুসরণ করলে নাইলোটিকা মাছের ক্ষেত্রে শোঁথ রোগের ক্ষতির পরিমাণ কমানো যেতে পারে।

4 views

Related Questions