1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত আমেনা বেগম গরু ক্রয় করে। এক বছর পর গরুর দুধ বিক্রি করে যেহেতু মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালায় তাই ধরে নিতে পারি আমেনা বেগমের ক্রয়কৃত গরুটি দুধ উৎপাদনকারি উন্নত প্রজাতির গরু।
বাংলাদেশে প্রতিবছর দুধের চাহিদা প্রায় ১২.৫২ মিলিয়ন মেট্রিক টন। প্রতি বছর দুধ উৎপাদন হয় ২.২৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এজন্য প্রতি বছর দুধ উৎপাদনে ঘাটতি থাকে ১০.২৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এদেশের অধিকাংশ কৃষক তাদের বাড়িতে যেসব গরু পালন করে সেগুলো দেশি জাতের গরু। এসব গরু আকারে ছোট হয়, মাংস উৎপাদন কম হয় এবং দুধ উৎপাদনও কম হয়। দুগ্ধবতী গাভি পালন করা একটি লাভজনক ব্যবসা। দেশে যেসব খামার গড়ে উঠছে সেগুলোতে উন্নত প্রজাতির সংকর জাতের গরু উৎপাদন করলে প্রচুর পরিমাণ দুধ উৎপাদন করে দেশে দুধের চাহিদা মেটানো সম্ভব। উদ্দীপকের আমেনা বেগমের ক্রয় করা গরুটি উন্নত প্রজাতির হওয়ায় গরুটি দৈনিক ১০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। এই দুধ বিক্রি করে সে তার মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতে সক্ষম হয়েছে। বাচ্চা প্রসবের পরে গরুটি যে পরিমাণ দুধ দেয় তা বেশ কয়েকটি পরিবারের দুধের চাহিদা পূরণ করতে পারে। তাছাড়া দুধ থেকে ঘি, মাখন, দধি, মিষ্টি ইত্যাদি তৈরি করে সেগুলো বিক্রিও করা যায়। সুতরাং, আমেনা বেগমের ক্রয় করা গরুটি দুগ্ধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।