1 Answers
আজিজ জাভেদকে দুধ দোহনের ও বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনের বিষয়ে পরামর্শ দেন।
দুধ উৎপাদন কম-বেশি হওয়া, বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদন, দুধ দোহন ইত্যাদি দুধ উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত। গাভির খাদ্যের প্রকৃতি ও পরিমাণের উপর দুধ উৎপাদনের তারতম্য হয়। আজিজ জাভেদকে পানি ও সবুজ কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। এতে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় কিন্তু দুধে চর্বির পরিমাণ হ্রাস পায়। কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি গাভিকে খড় ও দানাদার খাদ্য সহযোগে সুষম খাদ্য খাওয়ালে দুধ ঘন হয় ও দুধে চর্বির পরিমাণ বাড়ে। ব্রাশের মাধ্যমে পশুর দেহের ময়লা পরিষ্কার করাকে গ্রুমিং বলে। দুধ দোহনের আগে পশুর দেহের ময়লা পরিষ্কার করতে হয় নয়তো তা দুধে মিশে যেতে পারে। দুধ হাত দিয়ে দোহন করলে উৎপাদন কম হয়। তাই আজিজ জাভেদকে যন্ত্রের সাহায্যে দুধ দোহনের পরামর্শ দেন। প্রতিদিন একই সময় দুধ দোহন করলে উৎপাদন বাড়ে। তবে একই গাভিকে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দোহন করালে দুধের পরিমাণ কমে যায়। তাই গাভিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২-৩ বার দোহন করার পরামর্শ দেন আজিজ। থাইরক্সিন, আয়োডিনেটেড কেসিন, থাইরোপ্রোটিন ইত্যাদি উপযুক্ত অনুপাতে প্রদান করলে দুধের উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
উপরের আলোচনা হতে দেখা যায়, আজিজের পরামর্শে জাভেদের গাভির দুধ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় কিন্তু ঘনত্ব হ্রাস পায়। তাই আজিজের পরামর্শটি পুরোপুরি যৌক্তিক ছিলনা।