1 Answers
কফিল ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে দুগ্ধ খামার করে লাভবান হওয়ার সাথে সাথে তার খামারে আরো বকনা ক্রয়ের মাধ্যমে বড় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
কফিল প্রথমে ৪টি গাভি দ্বারা খামার করে খামারের আয়-ব্যয়, গাভির খাদ্য প্রদান, পরিচর্যা, রোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্যক জ্ঞান লাভ করে। ফলে খামার বড় করলেও খামারের কার্যক্রম পরিচালনায় তাকে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। পূর্বেই খামার পরিচালনা বিষয়ে জ্ঞান থাকায় সে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারবে। কফিলের খামার বড় করার ফলে কিছু বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। কফিলের খামারে উৎপাদিত দুধ উক্ত অঞ্চলের দুধের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে। ফলে কফিলকে দেখে এলাকার অনেকেই দুগ্ধ খামার প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ হবে এবং কফিলের মতো তারাও আর্থিকভাবে লাভবান হবে। ফলে সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাজারজাতকরণে আরো বেশি গুরুত্ব দিবে। দুগ্ধ খামার জাতীয় উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে এবং এলাকার বেকারত্ব দূর হবে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, কফিলের সিদ্ধান্ত ছিল সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত, যা কফিলের স্বচ্ছলতার চাবিকাঠি।