1 Answers
রমজানের দেখা গরুটি লাম্পি স্কিন নামক ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত।
যেকোনো রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। তবে আমাদের দেশে ইতোপূর্বে রোগটির প্রাদুর্ভাব কম দেখা গেছে তাই এই রোগের ভ্যাকসিন সহজলভ্য নয়। নিম্নোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করা গেলে রোগের প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যেমন-
- খামারের ভিতরের এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
- আক্রান্ত খামারে যাতায়াত বন্ধ করা এবং আক্রান্ত খামার থেকে আনা কোনো সামগ্রী ব্যবহার না করা।
- আক্রান্ত গরুকে শেড থেকে আলাদা স্থানে মশারি দিয়ে ঢেকে রাখা, যেন মশামাছি কামড়াতে না পারে। কারণ আক্রান্ত গরুকে কামড়ানো মশামাছি সুস্থ গরুকে কামড়ালে এই রোগের বিস্তার হতে পারে।
- আক্রান্ত গাভির দুধ বাছুরকে খেতে না দিয়ে ফেলে দিয়ে মাটি চাপা দেয়া।
- আক্রান্ত গরুর পরিচর্যা শেষে একই পোশাকে সুস্থ গরুর কাছে না যাওয়া।
- আক্রান্ত গরুর খাবার বা ব্যবহার্য কোনো জিনিস সুস্থ গরুর কাছে না আনা।
- ক্ষত স্থান টিংচার আয়োডিন মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার রাখা।
- গরুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ক্ষতস্থান শুকানোর জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ইনজেকশন দেয়া।
সর্বোপরি, এল এস ডি আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পেলে দ্রুত রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
7 views
Answered