1 Answers

উদ্দীপকে পরমার্থ বা পরম সত্য বৃদ্ধির প্রতি যে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মতকে সমর্থন করে। মন্তব্যটি যথার্থ।

শিক্ষা মানুষকে আত্মিক ও মানসিক বিকাশ সাধন করে কল্যাণকামী কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত করে। যে শিক্ষা তা করে না, তাকে প্রকৃত শিক্ষা বলা যায় না। আমাদের স্কুল-কলেজে রুটিন মেনে যে শিক্ষা দেওয়া হয়, তাতে প্রকৃত শিক্ষা লাভ হয় না। কারণ প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে স্বশিক্ষা, যা মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যচিত্তে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে অর্জন করে। আর তা অর্জনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে লাইব্রেরি বা পাঠাগার।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার উপযোগিতা ও পাঠকের মানসিকতা আলোচনা করেছেন। তিনি পাঠে অনীহার কারণ হিসেবে আমাদের মার্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে আমাদের অর্থ উপার্জন করতে শেখায়, কীভাবে আমাদের হৃদয়বৃত্তিকে প্রস্ফুটিত না করে নষ্ট করে দেয়, সেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। সেই ব্যাখ্যাটির সাথে উদ্দীপকের পরমার্থ বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে লেখক আত্মপ্রকাশ বা পরমার্থ বৃদ্ধির কথা বলেছেন। তিনি কল্যাণের দিকটিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে জাতির উন্নতির দিকটি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি মনে করেন, যে জাতি আত্মপ্রকাশের প্রতি উদাসীন থেকে শুধু আত্মরক্ষার দিকটির সাধনা করে, সেই জাতি উঁচু জীবনে প্রবেশ করতে পারে না। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক বলেছেন যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে হলে স্কুল-কলেজের বাইরে মানুষকে স্বশিক্ষায় নিজেকে পরিপূর্ণ করে তুলতে হবে। স্বশিক্ষা হচ্ছে প্রগতিশীল জীবন ও জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলার শিক্ষা। উদ্দীপকে লেখক জাতিকে উন্নত জীবন লাভে পরমার্থের সাধনার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন যা 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মতামতকে প্রতিফলিত করেছে।

7 views

Related Questions

মানুষের জীবন কতকগুলো ঘটনার সংকলণ। তবে ঘটনাই স্মরণীয় হয় না। যে ঘটনা স্মৃতির পাতায় সোনার অক্ষরে লখা হয়ে যায় তা-ই স্মরণীয়। বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে গৌরবময় ও স্মরণীয় ঘটারা এ দেশের মুক্তিযুদ্ধ । এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা লাভ করেছি স্বাধীন দেশ, নিজস্ব পতাকা। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলা ছাত্র- যুবকম কৃষক- শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। তারই পরিণতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর জাতি অর্জন করে চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিদ্রে দেদীপমান হয় একটি রাষ্ট্র, যার নাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এই জাদুঘরের তরুণ প্রজনেম্নর কাছে পৌছে দিচ্ছে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও ইতিহাসকে ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে জাদুঘরের গ্যালিরিগুলো। প্রতিটি গ্যালারি সুনিদির্ষ্টভাবে ধারণ করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী নানান স্মারক। মুক্তিযুদ্লে জাদুগরের কার্যক্রেমের অংশ হিসেবে একটি গাড়িকে ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। এভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অমর হয়ে থাকবে এ- দেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা। (Translate to English)
1 Answers 12 Views
দেশের অধিনস্ত আদালতের বিচারকাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার হলেও উচ্চ আদালতে হয় না বললেই চলে। ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা না থাকায় উচ্চ আদালতের বিচারপতিরা বাংলায় রায় এবং আদেশ দিতেও তেমন নন। সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতি বাংলায় রায় ও আদেশ দিলেও তাদের সংখ্যা বেশি না। এমন প্রেক্ষাপটে ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা প্রণয়নে জোর দিয়েছে বিচার বিভাগ ও সরকার। দীর্ঘ গবেষণার পর প্রায়ত  জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানসহ বিশেষজ্ঞ একটি দলের যৌথ উদ্যোগে ইংরেজি সাড়ে চার হাজার শব্দের নতুন বাংলা পরিভাষাও নির্ধারণ করেছে আইন কমিশন। সব মিলিয়ে আইন কমিশনের উদ্যোগে দশ হাজারেরও বেশি বাংলা পরিভাষা নিয়ে মুদ্রিত হয়েছে আইন-শব্দকোষ। বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে আইন- শব্দকোষ। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে বাণিজ্যিকভাবেও এর বিপণন শুরু হয়েছে। একইভাবে ইংরেজিতে রায় ও আদেশ অনুবাদের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে বাংলা অ্যাপ।  (Translate the following into English)
1 Answers 6 Views
ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে এবং কোটি কোটি মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট আমাদের এই জাতি রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের অন্যতম বিচার বিভাগ। শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি। বিচার বিভাগ দুর্বল হলে রাষ্ট্রের ভিত্তিও দুর্বল হয়ে যায়। আর বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করার দায়িত্ব বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক কর্মচারী ও কর্মকর্তার । তাঁদের সততা ম নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে বিচার ব্যবস্থার ভবিষৎ। প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী হবেন আদর্শের প্রতীক । জাতির আশা, কখনই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিবেন না। তাহলেই শহিদদের রক্তের কিছুটা প্রতিদান দেওয়া হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views