1 Answers

আয়শা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদের পরস্পর পরিবর্তনশীলতা বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।

সম্পদের পরস্পর পরিবর্তন কয়েক ভাগে করা যায়। যেমন- বিকল্প সম্পদ ব্যবহার। এক্ষেত্রে ভাতের পরিবর্তে রুটি খাওয়ার মাধ্যমে সম্পদের বিকল্প ব্যবহার করা যায়। একই সম্পদকে বহুবিধ কাজে ব্যবহার করা যায়। যেমন- খাবার ঘরের চেয়ার টেবিলকে পড়াশোনা, আলোচনা প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া একটি সম্পদ ব্যবহার করে অন্য সম্পদ সৃষ্টি করা যায়। যেমন- জমিতে চাষ করে ফসল উৎপাদন করা।

আমাদের সম্পদ সীমিত। এ সীমিত সম্পদ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে আমাদের প্রয়োজনীয় অভাব মেটাতে হয়। সম্পদের সুষ্ঠু পরিচালনায় অভাব মোকাবিলা করা যায় ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায়। আয়েশা বেগম তার পুরাতন শাড়ি দিয়ে ঘরের পর্দা, পাপোস তৈরি করেন। এর ফলে একটি সম্পদ অন্য একটি সম্পদে রূপান্তরিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, আয়েশা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদ রূপান্তরযোগ্য এই বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

4 views

Related Questions

প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views