1 Answers

শিল্পরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টি করতে গেলে শিল্প সৃষ্টির মূলনীতিগুলো মেনে চলতে হয়। 

সঠিকভাবে আসবাব বিন্যাসের মাধ্যমে গৃহের অভ্যন্তরীণ সজ্জাকে আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক করে রাখা যায়। এক্ষেত্রে শিল্পের মূলনীতিগুলো অনুসরণ করে আসবাব বিন্যাস করা উচিত। 

জরিফা বেগম সারাদিন কর্মব্যস্ততার পর বাসায় ফিরে শোবার ঘরে ঢুকে ক্লান্ত বোধ করেন। তিনি আসবাব বিন্যাসে শিল্পনীতি অনুসরণ করেন নি। তাই কক্ষটি কোনোভাবেই তাকে আকর্ষণ করে না।

ঘরের আকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আসবাব ক্রয় করতে হয়। বড় ঘরে বড় আসবাব এবং ছোট ঘরের জন্য ছোট আসবাব মানানসই। আবার যেখানে বড় ও ছোট আসবাবের সংমিশ্রণ প্রয়োজন, সেখানে বড় আসবাবের সঙ্গে সমতা রক্ষা করে ছোট দুই তিনটি আসবাব একত্রে সাজানো যায়। কক্ষের একদিকের সঙ্গে অন্য দিকের আসবাবপত্রের, মাঝখানের ও কর্ণারের আসবাবপত্রের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হয়। এছাড়াও অপ্রত্যক্ষ ভারসাম্য গৃহসজ্জায় নতুনত্ব ও আকর্ষণ সৃষ্টি করে।

আসবাব বিন্যাসে শিল্পনীতি ছন্দের প্রয়োগ করা হলে গৃহসজ্জায় আরও নান্দনিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ছন্দ আসবাব বিন্যাসে আকর্ষণ সৃষ্টি করে এবং একঘেয়েমি দূর করে। সুতরাং বলা যায়, সঠিক শিল্পনীতি অনুসরণের মাধ্যমে জরিফা বেগমের বাসস্থান আকর্ষণীয় হতে পারে।

5 views

Related Questions

দিন দিন অনলাইনে কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর এ সুযোগে একটি চক্র গ্রাহকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা। অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেক সাধারণ গ্রাহক পণ্য কিনে নানাভাবে প্রতারণা শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য সরবরাহ না করা এবং করলেও নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে ও বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাইট এবং প্রতারণার ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে অধিদপ্তর। এ জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে । সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়েও আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় ৷ (Translate into English)
1 Answers 7 Views
নারী পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। সৃষ্টির দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে উভয়ের মাঝে কোন পার্থক্য বা বৈষম্য নেই। সর্বক্ষেত্রে নারী আজ ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে নারী সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। নারী আজ তার মেধা ও কর্মদক্ষতার বলে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পদে অধিষ্ঠিত। তাই সার্বিক উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নারীর সম্পৃক্ততা একাত্ত্বই বাঞ্ছনীয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা, সম্পদ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নারীর পূর্ণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়ন কর্মকান্ডের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। অবশ্য বাংলাদেশ সরকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। (Translate into English)
1 Answers 8 Views
নীতি এবং পন্থাগত বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন আর্থিক খাতে। আশির দশক থেকে উন্নত এবং কিছু উন্নয়নশীল দেশে সবুজ অর্থায়ন গ্রহনযোগ্য হতে শুরু করে। পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রম আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এক ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপালন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে থাকে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র নিজেদের পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না, অন্যান্য শিল্প কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। (Translate the following into English)
1 Answers 4 Views