1 Answers

রাবেয়া বেগম মেয়ের জন্মদিনে অনেক লোক দাওয়াত করলেন। কিন্তু তার বাসা ছোট হওয়ায় একত্রে সবাইকে খেতে দিতে না পেরে তিনি বিব্রতবোধ করেন।

রাবেয়া বেগম যদি বু-ফে পদ্ধতিতে খাদ্য পরিবেশন করতেন তাহলে সবাই একসাথে খেতে পারতো। অতিথির সংখ্যা বেশি হলে, জায়গা কম থাকলে এবং বিশেষ বা প্রধান অতিথি না থাকলে বু-ফে এর ব্যবস্থা করা যায়। 

রাবেয়া বেগম বাসার লনে বা লম্বা বারান্দায় অথবা খোলা বাগানে কয়েকটি টেবিলে একই ধরনের খাবার সরবরাহ করতে পারতেন। খাবার গ্রহণের প্লেট, গ্লাস, চামচ, কাপ, আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদি একটি টেবিলে সাজিয়ে রেখে, টেবিলের দু'পাশে বা, চারপাশে একইভাবে খাবারগুলো সাজালে যেকোনো পাশ থেকে অতিথিরা প্রত্যেক প্রকার খাবার প্লেটে নিয়ে স্বাধীনভাবে পছন্দমতো জায়গায় বসে গল্প-গুজবের মধ্যে দিয়ে আনন্দের সাথে খাবার উপভোগ করতে পারতো। 

এভাবেই রাবেয়া বেগম খাবার পরিবেশনে বৈচিত্র্য এনে বিব্রতবোধ থেকে রেহাই পেতে পারতেন।

4 views

Related Questions

সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
"আমার বাংলার সভ্যতা, আমার বাঙালি জাতি এ নিয়ে হল, বাঙালি জাতীয়বাদ। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালির রক্ত দিয়ে গড়া, বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষণহীন সমাজ থাকবে। শোষকশ্রেণী আর কোনদিন দেশের মানুষকে শোষণ করতে পারবে না, সেই জন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। আর হবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা, ধর্ম-নিরপেক্ষতা মনে ধর্মহীনত্য নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টান-বৌদ্ধ যে যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যাত করবে, এ বিশ্বাস আমি করি। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ” (Translate into English)
1 Answers 6 Views