7 views

1 Answers

Though eighth among top remittance attaining countries Bangladesh did not make un progress in earning remittance last year, rather it has been declined. The continuous downfall earning remittancewill become a big challenge for the economy of Bangladesh.  As near about 6 of the total GDP of Bangladesh economy comes from the expatriate earnings. It has been said th the reasons behind the falling of remittance earning is dropping the oil price in the oil producin countries of Middle-East. If it has happened, we have to reduce dependency on middle-Ea countries in order to keep the earning path to the highway. Besides we have to look for alternativ manpower markets. Inefficient labor is another big reason of tumbling expatriate earnings. Henc besides looking for new manpower destinations, we should give prior in sending efficient peop abroad. We should take all necessary measures to make people well and required trained considerin the international demand for labour. 

7 views

Related Questions

প্রবাসী আয়ে রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। সদ্য সমাপ্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবাসীরা যে পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত পরিমাণ প্রবাসী আয় আগে কখনো আসেনি। গত জুন মাসে প্রবাসীরা ১৩৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার পাঠায়। ফলে গত অর্থবছরে প্রবাসী আয় বেড়ে ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার হয়েছে। গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি আয় আসে মে মাসে। ঔ মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিল ১৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার । বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। এদিকে বিপুল পরিমাণ প্রবাসী আয় আসার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ২৫৭ কোটি ডলার। ব্যাংক খাতের তারল্য অবস্থা ভালো করতে প্রবাসী আয় ও ভালো রপ্তানির বিকল্প নেই । (ইংরেজীতে অনুবাদ করুন)
1 Answers 4 Views
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গের কোভিন্ন সহনশীলতা সূচকে চলতি মাসে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বিশ্বের ৫০টি দেশের মধ্যে ৩৯ তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। গত আগস্টে ব্লুমবার্গের এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৪ তম কোভির ১৯ নিয়ন্ত্র স্বাস্থ্যসেবার মান, টিকাদান, সামগ্রিক মৃত্যুহার ও গত মাসে ভ্রমণ পুনরায় শুরু এবং সীমান্ত বিধি-নিষেধ শিথিলসহ মোট ১২ টি তথ্য সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম ৫৩ অর্থনীতির দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করেছে ব্লুমবার্গ সূচক অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫৯ দশমিক ৬। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views
আধুনিক সময়ে বিজ্ঞাপন একটি বিশেষ ধরনের কাজে পরিণত হয়েছে। আজকের ব্যবসা-প্রধান বিশ্বে, যোগান চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমানে নিজেদের নির্দিষ্ট পণ্যটির কেনায় ভোক্তাকে প্ররোচিত করার জন্য একই পণ্যের বিভিন্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে ব্যাপক প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। ভোক্তাকে সবসময় তাদের পণ্যের নাম ও গুণগত মান স্মরণ করিয়ে দিতে হয়। তারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ কাজটি করে থাকে। উৎপাদনকারী পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রদান ও পোষ্টারের মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে থাকে। প্রক্রিয়াজাতকারীরা বিজ্ঞাপন বাবদ প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকেন। আমরা একটি নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয় করে থাকি, কারণ আমরা মনে করি সেটি সেরা। (Bangla to English)
1 Answers 5 Views
বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার পেছনে কাঠামোগতভাবে একসময়ে কৃষির অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে। কৃষির জায়গাটি দখল করে নিয়েছে সেবা ও শিল্প খাত। গত পাঁচ বছরের সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান বাড়িয়ে চলেছে উৎপাদন শিল্প । অর্থনীতিকে বড় করতে এ খাতই এখন মূখ্য ভূমিকা রাখছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির কাঠামো বদলাতে শুরু করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। মূলত পোশাক খাতের সংযোগ হিসেবে গড়ে ওঠে অনেক শিল্প। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পোশাক খাতের পাশাপাশি বেশকিছু ভারী শিল্পেও গড়ে উঠতে থাকে। আর এভাবেই অর্থনৈতিক কাঠামোতে জায়গা করে নিতে শুরু করে উৎপাদন খাত। (Translate into English)
1 Answers 8 Views
Translate the following passage into English:বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির উৎসে যদি আমরা যাই তাহলে দেখবো, বাংলা ভাষা প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন। কিন্তু, জাতিসত্তা হিসেবে বাঙালির বয়স কয়েক হাজার বছর। এখানে বিভিন্ন জাতি-উপজাতি আগমনের ফলে, ও জাতির মিশ্রণে বাঙালি একটি মিশ্র জাতিসত্তা হিসেবে বিকশিত হয়েছে। ককেশীয়, ভোটচিন, অস্ট্রিক, নানা বর্ণ নিগ্রোয়েড ইত্যাদি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণেই বাঙালি জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে এই ভূখণ্ডে। উভয় বঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই মানব বসতির প্রমাণ ও উপকরণ আবিষ্কৃত হয়েছে। এসবের বিশদ আলোচনায় না গিয়েও বলা চলে যে যখন ইতিহাসের যবনিকা উন্মোচিত হলো সে সময়ও বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর নামানুসারে বাংলায় বেশ কিছু জনপদের পরিচয় আমরা প্রাচীন আর্য গ্রন্থসমূহ, যেমন রামায়ণ, মহাভারত ও অন্যান্য আদিগ্রন্থ, যেমন কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে পাচ্ছি। পুণ্ড্র, বঙ্গ, কলিঙ্গ, গৌড়, হরিকেল ইত্যাদি নাম যেমন জনপদের, তেমনি বিভিন্ন কৌম বা উপজাতির। আজ এসব কৌমের আলাদা পরিচয় আর নেই। এরা সবাই এক হয়ে মিশে গিয়ে বাঙালি নাম নিয়েছে, বাঙালি হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। বাংলা এদের সবার মুখের ভাষা ।
1 Answers 5 Views