2 Answers

যৌন রোগ ৪ ধরনের  ১।যৌনবাহিত রোগ ২।ক্লামিডিয়া ৩।শ্রোণীর প্রদাহ রোগ ৪।হার্পিস সিমপ্লেক্স ১। যেসব রোগ যেগুলো সাধারণত মৈথুন, মুখমৈথুন, পায়ুমৈথুনসহ নানাবিধ যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে ছড়ায় তাদের যৌনবাহিত রোগ বলে ।একে সংক্ষেপে এসটিডি (STD) হিসেবে লেখা হয়। উল্লেখযোগ্য কিছু যৌনবাহিত রোগের নাম হলোঃ সিফিলিস গনোরিয়া ক্ল্যামাইডিয়ার জীবানু  ট্রাইকোমোনিয়াসিস জেনিটাল হার্পিস  জেনিটাল ওয়ার্টস হেপাটাইটিস বি এবং সি  এইডস  চ্যানক্রয়েড  গ্রানুলোমা ইনগুইনাল  লিম্ফোগ্রানুলোমা ভেনেরিয়াম ২।  ক্লামিডিয়া ট্রাকোমেটিকস নামক ব্যাক্টেরিয়ার জন্য হয়। ইহা মহিলাদের প্রজনন অংগগুলির ক্ষতি করে ৩। শ্রোণীর প্রদাহ রোগ বা পি আই ডি  বা পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ সাধারণত জরায়ু, ডিম্বনালি ও অন্যান্য প্রজনন অংগের সংক্রামণকে বলা হয়। এই রোগ কেবল মহিলাদের ক্ষেত্রে হতে দেখা যায় ৪। হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের দ্বারা সৃষ্ট একটি ভাইরাসঘটিত রোগ। এই রোগ মুখে সংক্রমণ ঘটালে তাকে ওরাল হার্পিস বা জ্বরঠোসা বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১ (HSV-1) -এর সংক্রামণের ফলে হয়।.[১]জেনিটাল হার্পিস হল যৌনাংগের সংক্রমণ এবং মূলত সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-২ (HSV-2) সংক্রমণের ফলে হয়।[২] হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস (HSV-1) চোখে, হাতে, এমনকী মস্তিষ্কেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে।মুখের হার্পিস ও যৌনাংগের হার্পিস উভয়ই সংক্রামিত ব্যক্তির দেহ রসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ।[২] যৌনাংগে HSV-2র সংক্রমণ থাকা ব্যক্তির সাথে যৌনসংগম করলে এইরোগ সংক্রমণ হতে পারে। এই ক্ষেত্রে বাইরের থেকে উক্ত ব্যক্তির হার্পিস আছে এমন ধারণা করা সম্ভব হয় না ও আক্রান্ত ব্যক্তিও তাঁর রোগ সম্পর্কে জ্ঞাত না হতে পারে।

6564 views

যৌন রোগ ৪ ধরনের  ১।যৌনবাহিত রোগ ২।ক্লামিডিয়া ৩।শ্রোণীর প্রদাহ রোগ ৪।হার্পিস সিমপ্লেক্স ১। যেসব রোগ যেগুলো সাধারণত মৈথুন, মুখমৈথুন, পায়ুমৈথুনসহ নানাবিধ যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে ছড়ায় তাদের যৌনবাহিত রোগ বলে ।একে সংক্ষেপে এসটিডি (STD) হিসেবে লেখা হয়। উল্লেখযোগ্য কিছু যৌনবাহিত রোগের নাম হলোঃ সিফিলিস গনোরিয়া ক্ল্যামাইডিয়ার জীবানু  ট্রাইকোমোনিয়াসিস জেনিটাল হার্পিস  জেনিটাল ওয়ার্টস হেপাটাইটিস বি এবং সি  এইডস  চ্যানক্রয়েড  গ্রানুলোমা ইনগুইনাল  লিম্ফোগ্রানুলোমা ভেনেরিয়াম ২।  ক্লামিডিয়া ট্রাকোমেটিকস নামক ব্যাক্টেরিয়ার জন্য হয়। ইহা মহিলাদের প্রজনন অংগগুলির ক্ষতি করে ৩। শ্রোণীর প্রদাহ রোগ বা পি আই ডি  বা পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ সাধারণত জরায়ু, ডিম্বনালি ও অন্যান্য প্রজনন অংগের সংক্রামণকে বলা হয়। এই রোগ কেবল মহিলাদের ক্ষেত্রে হতে দেখা যায় ৪। হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের দ্বারা সৃষ্ট একটি ভাইরাসঘটিত রোগ। এই রোগ মুখে সংক্রমণ ঘটালে তাকে ওরাল হার্পিস বা জ্বরঠোসা বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১ (HSV-1) -এর সংক্রামণের ফলে হয়।.[১]জেনিটাল হার্পিস হল যৌনাংগের সংক্রমণ এবং মূলত সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-২ (HSV-2) সংক্রমণের ফলে হয়।[২] হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস (HSV-1) চোখে, হাতে, এমনকী মস্তিষ্কেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে।মুখের হার্পিস ও যৌনাংগের হার্পিস উভয়ই সংক্রামিত ব্যক্তির দেহ রসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ।[২] যৌনাংগে HSV-2র সংক্রমণ থাকা ব্যক্তির সাথে যৌনসংগম করলে এইরোগ সংক্রমণ হতে পারে। এই ক্ষেত্রে বাইরের থেকে উক্ত ব্যক্তির হার্পিস আছে এমন ধারণা করা সম্ভব হয় না ও আক্রান্ত ব্যক্তিও তাঁর রোগ সম্পর্কে জ্ঞাত না হতে পারে।

6564 views