রোজার মাসে রাতে পর্নগ্রাফি দেখলে কি রোজায় কোন ক্ষতি হবে।?
ধরেন পরের দিনের রোজা হবে না এমন কিছু,
3 Answers
রমজান মাস ধৈর্যবান হবার মাস।পর্ণগ্রাফি দেখা এমনিতেই কবিরা গুনাহ।তাই সেটা থেকে দুরে থাকা উত্তম। আর রমজান তো রহমতের মাস এ সময় নিজেকে সংযম রাখুন খারাপ কাজ থেকে দুরে থাকুন। রোজার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্ত এ মাসে ভালো কাজের রহমত যত বেশি ঠিক পাপের কারনে শাস্তি টাও হবে তত বেশি।
রোজার মাসে রাতে পর্নগ্রাফি দেখলে রোজায় কোন ক্ষতি হবে না। অর্থাৎ পরের দিনের রোজা হবে না ইসলামে এমন কোন বিধিনিষেধ নেই।
তবে পর্নগ্রাফি দেখা জায়েজ নয়। ইসলামে অশ্লীল কাজ হারাম ও সুস্পষ্ট পাপ হিসেবে বিবেচিত।
পবিত্র কুরআনের বানীঃ আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। (সূরা আন নাহল, আয়াতঃ ৯০)।
আর অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার তো কোন সীমা নেই। চিত্ত বিনোদন, সংস্কৃতি ও প্রগতির নামে আজ অশ্লীলতা, নোংরামী ও বেহায়াপনা লাগামহীন হয়ে গেছে। অশ্লীলতা ও অসৎ কাজ মানুষের বিবেকও বলে দেয় যে কক্ষনোই ভাল নয়।
আল্লাহ তায়ালা অশ্লীলতা, অসৎ কার্য ও সীমালংঘন না করার ব্যাপারে বলেন: বল: নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক হারাম করেছেন প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতা আর পাপ ও অন্যায় বিরোধিতা। (সূরা আ‘রাফ, আয়াতঃ ৩৩)।
প্রথম আয়াতে যে বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকতে বলা হয়েছে পর্নোগ্রাফিক কালচার সে বিষয়গুলোকেই রাঙ্গিয়ে তোলে। আয়াতে মূলত ২ টি শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলো হল
১। ফাহসাঃ “ফাহসা” অর্থ হল অশ্লীলতা, অসভ্যতা, অভদ্রতা, লজ্জাহীনতা, এমন কিছু যা জঘন্য, নোংরা ও কুরুচিপূর্ণ।
২। মুনকারঃ “আল-মুনকার” এর অর্থ হল বাজে, নিকৃষ্ট, রুচিহীন, গর্হিত ও চরম অনৈতিক। এই ক্যাটাগরিতে আছে ওইসব খারাপ কাজ যেগুলো সর্বসম্মতভাবে বর্জনীয়, বিবেকের কাছে ঘৃণিত ও বিধাতা কর্তৃক সর্বকালের জন্য নিষিদ্ধ। যেকোনো ধর্মাবলম্বী মানুষের কাছে পর্ন ধিক্কারযোগ্য।তাই পর্নোগ্রাফি দেখা এসব ইসলাম অনুমোদন করে না।
কুরআনে আল্লাহ তায়ালা অশ্লীল কাজ ও কথাবার্তার ধারে কাছে যেতেও বারণ করেছেন তা প্রকাশ্যেই হোক কিংবা গোপনে।
আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে পীড়াদায়ক শাস্তি এবং আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না। (সুরা আন-নুরঃ ১৯)।
শয়তানের এই মারণাস্ত্র থেকে বেঁচে থাকার তাগিদ মহান আল্লাহ তায়ালা বার বার দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। (সুরা আন-নুরঃ ২১)।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy