2 Answers

#সংগ্রহিত #ইনকিলাব

উত্তর: একাকী পড়লেও ফরজ নামাজের শেষ দু’রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা মিলাতে হবে না। সুন্নাত নামাজে শেষ দু’রাকাতেও সূরা ফাতিহার সাথে সূরা মিলাতে হয়। উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভীসূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।inqilabqna@gmail.com

1702 views

যোহরের চার রাকাত সুন্নাত নামাযের শেষের দুই রাকাতে সুরাহ ফাতিহার সাথে অন্য সুরাহ মিলিয়ে পড়া জরুরী।

ফরয নামায ব্যাতিত অন্যান্য সুন্নাত, নফল, বিতির নামাযে সব রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা মিলানো ওয়াজিব৷

হজরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) বলেন, আমাদের রাসুল (সাঃ) আদেশ করেছেন, আমরা যেনো নামাযের মধ্যে সুরা ফাতেহা এবং কোরআনের যেই স্থান হতে সহজ হয় কিছু তেলাওয়াত করি। (আবু দাউদ ১খন্ড,পৃষ্ঠা ১১৮)।

হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন যে, নামায সুরা ফাতেহা এবং কিছু অতিরিক্ত অংশ ছাড়া হয় না৷অর্থাৎ সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরার কিছু অংশ তেলাওয়াত করতে হবে। (মুসলিম শরিফ ১খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৬৯)।

নামায আলহামদু (সুরা ফাতেহা) এবং অন্য সুরা মিলানো ছাড়া হবে না, নামায ফরজ হোক বা অন্য নামায। (তিরমিজি শরিফ,পৃষ্ঠা: ৬১)।

সুরা ফাতেহা এবং দুইটি লম্বা আয়াত ছাড়া নামায হয় না৷ (কানজুল উম্মাল ৭ খন্ড,পৃষ্ঠা: ৩১৪)।

তবে কিছু ইসলামী স্কলারদের মতে ফরয হোক বা নফল হোক, সুরা মিলানো মুস্তাহাব। এটি ওয়াজিব নয়।

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক সলাতেই কিরাআত পাঠ করতে হবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সলাতে আমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সলাতে আওয়াজ না করে চুপিসারে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের না শুনিয়ে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করি। যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহাহ পাঠ করল তা তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আরো সূরাহ পাঠ করল, এটা তার জন্য বেশি ভাল।

(সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী), অধ্যায়ঃ ৪। সালাত নামায, হাদিস নম্বরঃ ৭৭০ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৭৯)।

সুতরাং ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য যেকোনো সুরা মিলানো ওয়াজিব। আর ফরজ ব্যাতিত অন্যান্য নামাযে প্রত্যেক রাকাতেই সুরা ফাতেহার সাথে অন্য সুরা মিলানো ওয়াজিব।

যদি কেহ ভূলক্রমে ওয়াজিব ছেড়ে দেয়,তাহলে তার উপর সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়। আর কেহ যদি ইচ্ছাপূর্বক ভাবে ওয়াজিব ছেড়ে দেয়, তাহলে তার নামাযই হবেনা।


1702 views

Related Questions

হেবা কিঃ?
1 Answers 6828 Views
দান কিঃ?
1 Answers 8664 Views