পুরুষেরা জুমুআর নামায পড়ে না আসলে মহিলারা নামায পড়বে না, ইসলামে এমন কথার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু?
1 Answers
আমার মতে এই কথাটা ভিত্তিহীন। কারণ জুমুআর নামায নারীদের জন্য ওয়াজিব নয়। আর ৫ টা সাধারণ দিনের মত ই জুমুয়ার নামায নারীদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। আমাদের দেশে অনেকে এই নিয়ে বিতর্ক করে থাকে। ছেলে রা জুমুয়ার নামায শেষ করে না আসা পর্যন্ত মেয়ে রা নামায পড়তে পারবে না।
যেহেতু নারীদের জন্য জুমুয়ার নামায ওয়াজিব নয় তাই তারা জুমার দিনে ছেলেদের নাম শেষ করে আসার অপেক্ষাতে না থেকে নামায আদায় করে নিবে।
জুমার সালাতের খুতবার সময় সালাত আদায় করা জায়েজ। নারীদের জন্য জুমার সালাতের শেষ হওয়ার অপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই, যেহেতু জুমার সালাত তাঁদের ওপর ওয়াজিব নয়। সুতরাং তাঁরা জুমার সালাতের জন্য অপেক্ষা করবেন না, বরং যখনই আজান হবে, অর্থাৎ ওয়াক্ত হয়ে যাবে, তখনই জোহরের সালাত আদায় করে নেবেন, যদি তাঁরা জুমায় অংশগ্রহণ না করেন। তবে নারীরা জুমাতে অংশগ্রহণ করলে তাঁরা জুমার সালাতের জন্য অপেক্ষা করবেন এবং ইমামের সঙ্গে জুমার সালাত আদায় করবেন। দুটাই নারীদের জন্য জায়েজ। নারীদের জুমাতে অংশগ্রহণ করার বিষয়েও আল্লাহর নবীর (সা.) নির্দেশনা রয়েছে এবং অংশগ্রহণ করতেও তিনি বাধা দেননি বা নিষেধ করেননি। যদি জুমাতে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে তাঁদের পক্ষ থেকে জোহরের সালাত আদায় করা হয়ে যাবে, তাঁদের আর ভিন্নভাবে জোহর আদায় করতে হবে না। কিন্তু যদি তাঁরা জুমার সালাতে অংশগ্রহণ না করেন, তাহলে জোহরের সালাত আদায় করতে পারেন। এর জন্য শর্ত নয় যে ইমাম সাহেব মসজিদে সালাত আদায় শেষ করবে অথবা খুতবা অথবা সালাত দুটোই শেষ করবে, তার পরে নারীরা ঘরে সালাত আদায় করবেন। বিষয়টি হলো যখনই ওয়াক্ত হয়ে যাবে, তখনই জোহরের সালাত আদায় করতে পারবেন নারীরা। এটি তাঁদের জন্য জায়েজ রয়েছে।
উত্তর কিছু টা নিজের লেখা এবং কিছু টা NTV এর ইসলামিক সো •আপনার জিজ্ঞাসা• থেকে নেওয়া