যারা বিয়ে করেছেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, সহবাসের সময় মিনিমাম কত হলে স্ত্রী তৃপ্তি পেতে পারে?
3 Answers
এটা বলা মুশকিল। কেননা একেক নারীর একেক রকম চাহিদা। কেউ খুবই অল্প সময়ে তৃপ্ত হয় আবার কেউ দীর্ঘ সময় প্রত্যাশা করে। শৃঙ্গার, মৈথুন ব্যতিরেকে শুধু ৫ মিনিট যদি লিঙ্গ চালাতে পারেন, তবে ইহা অনেক কিছু, যথেষ্ট।মনে রাখবেন, লিঙ্গ চালনায় মেয়েরা যেরকম সুখ পায় এই রকম সুখ শৃঙ্গার মৈথুনেও পেয়ে থাকে। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হলো মেয়েরা তার সঙগীকে জরিয়ে ধরে শুয়ে থাকার মধ্যে বেশি আনন্দ পায়। তাই সহবাসের সময় নিয়ে কেউ দুঃশ্চিন্তা করবেন না।
বিয়ে করি নাই। আর যারা বিয়ে করেছে, তারা হয়তো আপনাকে সঠিক সমাধান দিতে পারবেনা। কারণ হয়তো তিনিও স্ত্রীকে সুখ দিতে পারেন না। আমি অভিঙ্গতা থেকে বলছি। উত্তেজিত অবস্থায় 5 থেক 7 মিনিট হলেই যথেষ্ট। আর তৃপ্তির ব্যবারটা সঙ্গমের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। যত উত্তেজিত হতে পারবেন, তত সুখ।
উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4 থেকে 5.1 ইঞ্চি এর মধ্যে। আর সাধারন অবস্থায় এক এক জন পুরুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য এক এক রকম হয়ে থাকে কারো এক ইঞ্চি কারো দুই,কারো বা তিন ইঞ্চি ইত্যাদি আকারের হয়ে থাকে। মনে করুন,অনেক পুরুষ আছে যাদের লিঙ্গ সাধারন অবস্থায় তিন ইঞ্চি হয়ে থাকে আর উত্তেজিত অবস্থায় হয় চার ইঞ্চি। আবার,অনেক পুরুষ আছে যাদের লিঙ্গ সাধারন অবস্থায় হয়ে থাকে দুই ইঞ্চি এবং উত্তেজিত অবস্থায় হয় চার ইঞ্চি।এই কারণে সাধারন অবস্থার লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ধর্তব্য নয় ; উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য কতটুকু সেটাই ধর্তব্য। উত্তেজিত অবস্থাই সর্বনিম্ন দুই ইঞ্চি লিঙ্গ হলেই স্বামী তার স্ত্রীকে পরিপূর্ন যৌনসুখ দিতে পারে।আর এ ক্ষেত্রে স্বামীর জন্য অাবশ্যক জরুরি হল,স্ত্রীকে ফরপ্লে বা শৃঙ্গার এর মাধ্যমে পরিপূর্নভাবে যৌনউত্তেজিত করে তুলার পরেই স্ত্রীর যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো। লিঙ্গের মাপ নেয়ার ব্যাপারে নানাজনে নানা রকম ধারণা দিয়েছেন। কেউ বলে ওপরে মাপো, কেউ বলে নিচের দিকে মাপো।কেউ বলে দাঁড়িয়ে মাপো,কেউ বলে শুয়ে মাপো।কিন্তু মাপলে তো লিঙ্গ বড় বা ছোট হবে না। লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও আকার নিয়ে চিন্তিত হয়ে কোনো পরিবর্তন আনা যায় না।সুতরাং চিন্তা না করাই ভালো। আপনার লিঙ্গ যদি উত্তেজিত অবস্থায় সর্বনিম্ন দুই ইঞ্চি হয়ে থাকে তবে চিন্তার কিছু নেই। কারণ স্ত্রীকে পরিপূর্ন যৌনসুখ দিতে উত্তেজিত অবস্থায় লম্বায় সর্বনিম্ন দুই (২) ইঞ্চি লিঙ্গ হলেই যথেষ্ট।উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4 থেকে 5.1ইঞ্চি। কিন্তু লিঙ্গ বড় হলে অনেক মেয়েরাই যৌন মিলনে আনন্দ পাওয়ার বদলে কষ্ট অনুভব করে থাকে।তাই লিঙ্গের দৈর্ঘ্য, আকার আকৃতি নিয়ে কোনো প্রকার চিন্তা না করাই ভালো।যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন এবং অধিক আনন্দ লাভের জন্য যৌন মিলনের নানা প্রকার কলাকৌশল রপ্ত করার চেষ্টা করুন।......... বি.দ্র. উত্থিত অবস্থায় কোন পুরুষের পুংলিঙ্গের দৈর্ঘ্য যদি আড়াই (২.৫)ইঞ্চি হয় তবে সে তার স্ত্রীকে পূর্ণ যৌনসুখ বা যৌনতৃপ্তি দিতে সক্ষম হবে।নারীর রমন-পথের(স্ত্রী-যোনীপথের) গভীরতা গড়পড়তায় মাত্র তিন (৩)ইঞ্চি।আর স্ত্রীর নারীর যোনীপথের শুরুর দেড় (১.৫)থেকে দুই (২)ইঞ্চি অংশ শুধুমাত্র যৌনস্পর্শকাতর হয়ে থাকে।সুতরাং এই দেড় থেকে দুই ইঞ্চি অংশ পর্যন্ত আড়াই ইঞ্চি দৈর্ঘের পুংলিঙ্গ খুব সহজেই পৌঁছাতে পারে এবং সাথে সাথে স্ত্রীকে যৌনসুখ দিতে সক্ষম হবে।শতকরা সত্তর জন নারী/স্ত্রী পুংলিঙ্গের মাধ্যমে অর্গাজম বা চরমপূলক লাভ করে না।বরং স্বামীর দ্বারা ভগাঙ্কুর ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে স্পর্শ, মর্দন, ঘর্ষন,চুম্বন, লেহন ইত্যাদি করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে স্ত্রী যৌনসুখ বা চরমপূলক লাভ করে থাকে।অধিকাংশ স্ত্রীই ফরপ্লে বা শৃঙ্গারের মাধ্যমেই যৌনসুখ বা চরমপূলক লাভ করে থাকে।এমতাবস্থায় স্ত্রীর যৌনউত্তেজনা যখন চরম পর্যায়ে উঠবে ঠিক তখনই স্বামী তার পুরুষাঙ্গ স্ত্রীর যোনীর ভেতর প্রবেশ করিয়ে লিঙ্গ সঞ্চালনের মাধ্যমে সঙ্গম করবে।এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী সঙ্গমের জন্য এমন আসন নির্বাচন করে নিবে যাতে স্বামীর লিঙ্গ স্ত্রীর যোনীর গভীর পর্যন্ত খুব সহজেই পৌঁছতে পারে।যেমন: স্ত্রীকে চিত করে শুয়ায়ে স্ত্রীর কোমর বা পাছার নিচে বালিশ দিয়ে এরপর স্ত্রীর উপর উপুর হয়ে স্ত্রী যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম করা ইত্যাদি।