4 Answers
পবিত্রতা অর্জন না করলে নামাজও পড়া যাবেনা। গোসল যেহেতু ফরজ হয়ে গেছে তাহলে অবশ্যই গোসল করতে হবে।
গোসল ফরজ হলে আপনাকে অবশ্যকরণীয় সমস্ত শরীর পানি দিয়ে ধোয়া। যা নিন্মে হাদিসে বনি'ত
২৪৬। আবদুল্লাহ ইবনুূু ইউসুফ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু’টো ধুয়ে নিতেন। তারপর সালাত (নামায/নামাজ)-এর উযূ (ওজু/অজু/অযু)র মত উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন। তারপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। তারপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি পৌঁছিয়ে দিতেন।
না, হবে না; পরিপূর্ণ গোসল করতে হবে।
উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা রাযি. বলেন, আবু তালহা রাযি.-এর স্ত্রী উম্মে সুলাইম রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে আরজ করলেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ তাআলা সত্যের বিষয়ে নিঃসঙ্কোচ। (তো আমার জিজ্ঞাসা এই যে,) কোনো নারীর স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপর গোসল ফরয হয়?’
উত্তরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হ্যাঁ। যদি সে পানি (ভেজা) দেখতে পায়।’ (সহীহ বুখারী ১/৪২)
এ হাদিস থেকে বোঝা যায়- ১. ছেলেদের মত মেয়েদেরও স্বপ্নদোষ হয়। ২. স্বপ্নদোষ হলে ছেলে-মেয়ে উভয়ের গোসল করা ফরজ হয়।
উত্তর দিয়েছেনমাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
http://quranerjyoti.com
গোসলের ফরজ তিনটি তার মধ্যে একটি হলো সমস্ত শরীর ধৌত করা এমন ভাবে ধৌত করতে হবে যেন শরীরের একটি পশম যেন না শুকনা থাকে। পবিত্রা অর্জন করতে হলে সমস্ত শরীর ধৌত করতে হবে।