2 Answers
একটি গুনাহ বা অপরাধ থেকে সত্যিকার তওবা করে মুখ ফিরিয়ে নিলে ও আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে আল্লাহ সে বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। তাই আপনার তওবা কালিন জীবনে গুনাহ হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তবে পূর্বের গুনাহের জন্য বারবার ক্ষমা চাইতে হবে।
সমকামিতা থেকে ফিরে এলে পরবর্তী জীবনে আর গুনাহ হবে না। তবে তিনটি শর্ত বাস্তবায়ন করে তাওবা করতে হবে।
শয়তানের প্ররোচনায় পাপ হয়ে গেলে অনুশোচনার পরপরই কোনো নেকির কাজ করা উচিত। কারণ নেকি পাপ মিটিয়ে দেয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয়ই সৎ কর্মসমূহ মন্দ কর্মসমূহকে বিদূরিত করে। (সুরা : হুদ, আয়াত : ১১৪)।
সমকামী আচরণ প্রচলিত ইসলামী নিয়মশাস্ত্রে নিষিদ্ধ এবং পরিস্থিতি ও ফিকহী মাজহাব অনুসারে মৃতুদণ্ডসহ বিভিন্নভাবে শাস্তিযোগ্য।
এসব শরিয়ত বহির্ভূত নিষিদ্ধ কাজ ত্যাগ করে ইসলাম নির্দেশিত কাজ করার মাধ্যমে আল্লাহর পথে ফিরে আসা এবং আল্লাহর বিধানের ওপর অটল-অবিচল থাকা আবশ্যক। এজন্য আল্লাহ তাআলা সবাইকে তাওবা করার আদেশ করেছেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! তোমার সকলেই আল্লাহর কাছে তাওবা করো; যাতে তোমরা সফল হতে পারো। (সুরা আননূর, আয়াত: ৩১)।
আল্লাহ তাআলা আরও ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করো; খাঁটি তাওবা। (সুরা আত-তাহরিম, আয়াত: ০৮)।
বিশেষজ্ঞ আলেমগণ সর্বসম্মতিক্রমে বলেন, সর্বদা তাওবা করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ওয়াজিব।
তিনটি শর্ত বাস্তবায়ন করলেই তাওবা হয়ে যাবে।
এক. পাপ পুরোপুরিভাবে ছেড়ে দিতে হবে।
দুই. পাপের জন্য অনুশোচনা করতে হবে, লজ্জিত ও অনুতপ্ত হতে হবে।
তিন. ঐ পাপ দ্বিতীয়বার না করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দৃঢ় সংকল্প করতে হবে। এবং এর ওপর অটল ও অবিচল থাকতে হবে।